আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ১৪৯
তিনি বলেন, তাবূকের যুদ্ধের সময় একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাযের পূর্বে স্থানান্তরে গমন করলেন এবং এ সময় আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উষ্ট্রী বসালেন এবং মলমূত্র ত্যাগ করলেন। তা সমাপনান্তে ফিরে এলে আমি পাত্র হতে তাঁর হাতে পানি ঢেলে দেই। তিনি উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত এবং মুখমন্ডল ধৌত করেন। অতঃপর তিনি তার জুব্বার আস্তিন উপরের দিকে উঠাতে চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সংকীর্ণ হওয়ায় তিনি তাঁর হাত তার জুব্বার আস্তিনের ভিতর হতে বের করে উভয় হাতের কনুই পর্যন্ত ধৌত করলেন। অতঃপর মাথা মাসেহ্ করলেন, অতঃপর মোজার উপর মাসেহ্ করলেন এবং উটের উপর আরোহণ করলেন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে সকলকে নামাযে রত পেলাম। তারা আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-কে ইমাম নিযুক্ত করেছে। আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) নামাযের সময় হওয়ায় তাদেরকে নিয়ে নামায আরম্ভ করেন এবং আমরা তাকে এমন অবস্থায় পাই যে, তিনি ফজরের নামাযের এক রাকাত (তখন) শেষ করেছেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের সাথে কাতারে দাঁড়িয়ে আবদুর রহমান (রাঃ) এর পিছনে নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে আদায় করলেন। আবদুর রহমান (রাঃ) নামাযের সালাম ফিরালে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাকী নামায আদায়ের জন্য দন্ডায়মান হন। এতদ্দর্শনে সমবেত মুসলিমরা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে অধিক পরিমাণে ’সুবাহানাল্লাহ’ পাঠ করতে থাকে। কেননা তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য অপেক্ষা না করে নামায আরম্ভ করে দিয়েছিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামায সমাপনান্তে সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেনঃ তোমরা যথা সময়ে নামায আদায় করে ঠিকই করেছ অথবা উত্তম কাজই করেছ - ।