Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ২,৩০০

প্রায় ২ মিনিট · ২৯৭ শব্দ

তিনি বলেন, উবায়দুল্লাহ্ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন উতবা তাঁকে বলেছেন যে, তাঁর পিতা উমার ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন আরকাম আয যুহরীর নিকট এ মর্মে পত্র লেখেন, যেন তিনি তাকে সুবাইয়া বিনত আল হারিস আল্ আসলামীর নিকট গিয়ে তাঁর পক্ষ হতে বর্ণিত হাদীসটির ঘটনা শ্রবণ করতে নির্দেশ দেন। আর তাঁকে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন কী বলেছেন, যখন তিনি তাঁর নিকট একটি ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তা জানার জন্য পাঠান। উমার ইবন আবদুল্লাহ্ জবাবে আমাকে লেখেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবন উতবা তাঁকে বলেছেন, সুবাইয়া তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সা’আদ ইবন খাওলার স্ত্রী ছিলেন, যিনি বনী আমের লুয়ী গোত্রের লোক ছিলেন। আর তিনি বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী (সাহাবী) ছিলেন এবং তিনি বিদায় হজ্জের সময় মৃত্যুবরণ করেন, যখন তিনি (সুবাইয়া) গর্ভবতী ছিলেন। আর তাঁর মৃত্যুর পরপরই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর নিফসের রক্ত হতে পবিত্রতা হাসিলের পর তিনি বিবাহের পয়গাম প্রেরণের জন্য নিজেকে সুসজ্জিত করেন। এ সময় তাঁর নিকট আবূ সানাবিল ইবন বা’কা, যিনি বনী আবদুদ্-দার গোত্রের লোক ছিলেন, এসে বলেন, আমি তোমাকে সুসজ্জিত অবস্থায় দেখেছি, মনে হয় তুমি পুনঃবিবাহের ইচ্ছা করছ? আল্লাহর শপথ! তুমি ততক্ষণ পুণঃবিবাহ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তুমি তোমার (মৃত স্বামীর) ইদ্দতকাল চার মাস দশদিন পূর্ণ না কর। সুবাইয়া বলেন, তার এরূপ উক্তি শ্রবণের পর, আমি রাতে কাপড়-চোপড় পরিধান করে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গমণ করি এবং এ সম্পর্কে তাঁকে জ্ঞিাসা করি। তিনি এরূপ ফাতওয়া দেন যে, আমি তখনই হালাল হয়েছি, যখন আমি সন্তান প্রসব করেছি। এরপর তিনি আমাকে প্রয়োজনে বিবাহ করার নির্দেশ দেন। রাবী ইবন শিহাব (রহঃ) বলেন, যদি সে এখন বিবাহ করে, তবে আমি এতে দোষের কিছু দেখি না; যখন সে তার সন্তান প্রসব করেছে। আর এখনও যদি তার নিফাসের রক্ত থাকে, এতেও বিবাহ বন্ধনে কোন বিপত্তি নেই। অবশ্য সে তা হতে পবিত্রতা হাসিলের পর তার স্বামীর সাথে সহবাস করতে পারবে।

ছবি বানান