Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ২,৯০৭

প্রায় ২ মিনিট · ২৪২ শব্দ

আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আবী হাজ্জাজ আবূ মা’মার (রহঃ) .... আমর ইবন শু’আয়ব (রহঃ) তার পিতা হতে এবং তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাবাব ইবন হুযায়ফা (রাঃ) জনৈক মহিলাকে বিবাহ করেন। যার গর্ভে তাঁর ঔরসে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়। অতঃপর তাদের মাতা মারা গেলে, তারা (বাচ্চারা) তাদের মাতার পরিত্যক্ত বাড়ী ও আযাদকৃত দাস-দাসীর ওয়ারিছ হয়। আর আমর ইবন আস (রাঃ) ছিলেন এদের ’আসাবা’ যিনি তাদেরকে শাম দেশে পাঠালে তারা সবাই সেখানে মারা যায়। অতঃপর আমর ইবন আস (রাঃ) সেখানে গমন করেন। তখন সে মহিলার একটি আযাদকৃত গোলাম মারা যায়, যে তার কিছু ধন-সম্পদ রেখে যায়। তখন সে মহিলার ভাই এ ব্যাপারে ফয়সালার জন্য উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়। সে সময় উমার (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, আযাদকৃত দাস-দাসীর পরিত্যক্ত মাল, যা সন্তান-সন্ততি বা পিতা পেয়েছে, তা তার ’আসাবা’ যারা থাকবে, তাদের প্রাপ্য। অতঃপর তিনি [উমার (রাঃ)] এ ব্যাপারে একটি রায় লিপিবদ্ধ করেন, যাতে আবদুর রহমান ইবন আওফ, যায়দ ইবন ছাবিত (রাঃ) এর দস্তখত ছাড়াও আরো এক ব্যক্তির দস্তখত নেওয়া হয়। অতঃপর আবদুল মালিক ইবন মারোয়ান যখন খলীফা নিযুক্ত হন, তখন লোকেরা এ ধরনের একটি মোকদ্দমা হিশাম ইবন ইসমা’ঈল বা ইসমা’ঈল ইবন হিশামের কাছে পেশ করে। যিনি সেটি খলীফা আবদুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। যা দেখে তিনি বলেনঃ ব্যাপারটি আমার কাছে এমনই মনে হচ্ছে যে, যেন আমি তা দেখেছি। রাবী বলেনঃ তখন তিনি (আবদুল মালিক) উমার ইবন খাত্তাব এর ফয়সালার অনুরূপ মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করে দেন। আর ঐ পরিত্যক্ত সস্পত্তি এখনও আমাদের কাছে মওজুদ আছে।

ছবি বানান