আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৩,৮৭১
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন রোগ ছোঁয়াচে নয়, কোন বস্তুতে শুভাশুভের কোন প্রভাব নেই, না সফর মাস অমঙ্গলের মাস এবং না কোন মৃতের খুলিতে পেঁচার প্রভাব আছে। তখন জনৈক আরাবী বলেনঃ যদি এরূপ অবস্থা হয়, তবে মরুভূমির উটদের ব্যাপার কি? যারা হরিণের মত সুস্থ হয়, পরে যখন তাদের সাথে কোন খোস-পাঁচড়া উট মিলিত হয়, তবে সবই ঐ রোগে আক্রান্ত হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তবে প্রথম উটটি কিরূপ খোস-পাঁচড়া বিশিষ্ট হয়? রাবী মুআম্মার(রহঃ) বলেন, ইমাম যুহরী বলেছেনঃ আমার নিকট এক ব্যক্তি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শোনেনঃ অসুস্থ উটকে সুস্থ উটের সাথে পানি পান করানোর জন্য আনা যাবে না। ঐ ব্যক্তি আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর কাছে গিয়ে বলেনঃ আপনি কি এ হাদীছ আমাদের কাছে বর্ণনা করেন নি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন রোগ ছোঁয়াচে নয়, সফর মাসে অমঙ্গলের মাস নয়, আর না মৃতের খুলিতে পেঁচার প্রভাব আছে? তিনি (আবূ হুরায়রা) বলেনঃ আমি তো এরূপ হাদীছ বর্ণনা করিনি। ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেনঃ হাদিছটি আবূ সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। অথচ হাদীছটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) নিজেই বর্ণনা করেন, (কিন্তু পরে তিনি তা ভুলে যান)। রাবী বলেনঃ আমি এ হাদীছ ছাড়া আর কোন হাদীছ সম্পর্কে শুনিনি যে, আবূ হুরায়রা ভুলে গেছেন।