Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৪৩৮

প্রায় ২ মিনিট · ২৩৬ শব্দ

তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু রাবাহ্ আনসারী (রাঃ) মদ্বীনা হতে আমাদের নিকট আগমন করেন। মদ্বীনার আনসারগগ তাঁকে একজন বিশিষ্ট ফকীহ (ফিকাহ্ তত্ত্ববিদ আলেম) হিসাবে গণ্য করতেন। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ্ আনসারী (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেন যে, আবূ কাতাদা আল্-আনসারী (রাঃ) যিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়া রক্ষক ছিলেন- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুতার যুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করেন … পূর্ববর্তী হাদীছের অনুরূপ। রাবী বলেন, সূর্যের রশ্মি আমাদের শরীর স্পর্শ করার পর আমরা ঘুম হতে জগ্রত হই। ঐ সময় আমরা আমাদের নামাযের জন্য অস্থির হয়ে পড়ি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামঃ এ স্থান ত্যাগ কর, ত্যাগ কর। তাঁরা ঐ স্থান ত্যাগ করে যাওয়ার পর যখন কিছুটা উপরে উঠল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যারা সফরের সময় ফজরের নামাযের দুই রাকাত সুন্নাত আদায়ে অভ্যস্ত-তারা যেন তা আদায় করে নেয়। অতঃপর উপস্থিত সাহাবাগণ ফজরের দুই রাকাত আদায় করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন। আযানের পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সলাম আমাদের ফজরের দুই রাকাত ফরয নামায আদায় করেন। নামায আদায়ের পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সম্বোধন করে বলেনঃ তোমরা জেনে রাখ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দুনিয়ার কোন কাজকর্ম আমাদের এই নামায আদায় করা হতে বিরত রাখেনি, বরং আমাদের আত্মাসমূহ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে ছিল। অতঃপর তাঁর ইচ্ছানুযায়ী তা আমাদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছেন। তোমাদের কেউ যখন আগামী দিনের ফজরের নামায ঠিক সময়ে পাবে তবে সে যেন এ ওয়াক্তের সাথে এই কাযা নামাযটিও আদায় করে।

ছবি বানান