Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৪,৪৮৭

প্রায় ৩ মিনিট · ৩১৬ শব্দ

মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) .... যায়দ ইবন ছাবিত (রাঃ) অনিচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত সম্পর্কে সেরূপ বলেছেনঃ যেরুপ উপরোক্ত হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ রাবী আবূ উবায়দ ও অন্যান্যরা এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, যখন উট বা উটনীর বয়স চার বছর হয়, তখন তাদের বলা হয়, হিক এবং হিককা। কেননা, এ সময় সে ভার বহনের যোগ্য হয় এবং তার উপর সওয়ার হওয়া যায়। এরপর যখন তার বয়স পাঁচ বছর হয়, তখন উটকে জাযা’আ এবং উটনীকে জাযা’আতুন বলা হয়। পরে তাদের বয়স যখন ছ’বছর হয়, তখন তাদের সামনের দাঁত বের হয়, তখন তাদের ছানী বা ছানীয়া বলা হয়। আর উটের বয়স যখন সাত বছর হয়, তখন তাদের রুবা’আ ও রুবা’ইয়্যা বলা হয়। এরপর উটের বয়স যখন আট বছর হয়, এবং রুবা’ইয়্যা পরবর্তী দাঁত নির্গত হয়, তখন তাদের সাকীসুন ও সাদেসুন বলা হয়। আর উটের বয়স যখন ন’বছর হয়, তখন তার পিঠে কুঁজ দেখা দেয়, তখন তাদের বাযিল - এক বছরের, বাযিল - দু’বছরের, এভাবে বলা হয়। এরপর উটের বয়স যখন দশ বছর হয়, তখন তাদের মুখলিফ - এক বছরের, মুখলিফ - দু’বছরের, এভাবে বলা হয়। নাযর ইবন শুমায়ল (রহঃ) বলেনঃ এক বছর উটনীকে - বিনতে মাখায, দু’বছর বয়সের উটনীকে বিনতে লাবুন, তিন বছর বয়সের উটনীকে হিক্‌কা, চার বছর বয়সের উটনীকে জাযা’আ, পাঁচ বছর বয়সের উটনীকে ছানীয়া, ছ’বছর বয়সের উটনীকে রাবু’আ, সাত বছর বয়সের উটনীকে সাদীস এবং আট বছর উটনীকে বাযিল বলা হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ রাবী আবূ হাতিম ও আছমা’ঈ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জাযা’আ হলো একটা সময় মাত্র, এটি বিশেষ কোন বয়সের নাম নয়। রাবী আবূ হাতিম (রহঃ) বলেনঃ যখন উটের রুবা’ঈ দাঁত বের হয়, তখন তাকে রুবা’আ উট বলা হয়। রাবী আবূ উবায়দা (রহঃ) বলেনঃ যখন উটনী গর্ভবতী হয়, তখন তাকে ’খিলফা’ বলা হয় এবং দশমাস যখন পূর্ণ হয়, তখন সে উটনীকে ’আশরাউ’ বলা হয়। রাবী আবূ হাতিম বলেনঃ যখন উটের সামনের দাঁত রেব হয়, তখন তাকে ’মুছান্না’ এবং যখন তার রুবা’ঈ দাঁত বের হয়, তখন তাকে রুবা’আ উটরূপে আখ্যায়িত করা হয়।

ছবি বানান