Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৪,৮১৮

প্রায় ২ মিনিট · ২৬৯ শব্দ

তিনি বলেনঃ একদা আমি ইনতিসার বা প্রতিশোধ গ্রহণের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি, যেমন কুরআনে আছেঃ আর যে ব্যক্তি অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের কোন অপরাধ নেই। তখন আমার কাছে আলী ইবন যায়দ ইবন জাদআন তার পিতার স্ত্রী উম্মু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন। ইবন আওন (রহঃ) বলেনঃ লোকদের ধারণা, তিনি উম্মুল মু’মিমীন আইশা (রাঃ)-এর কাছে যাতায়াত করতেন। রাবী বলেনঃ আইশা (রাঃ) বলেছেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সময় আমার কাছে আসেন, যখন সেখানে যয়নব বিনত জাহাশ (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত দিয়ে আমাকে চিমটি দিলে, আমি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করি, এমন কি আমি তাঁর হাতকে সরিয়ে দেই। তা দেখে যয়নব (রাঃ) আইশা (রাঃ)-এর প্রতি কটুক্তি করলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এরূপ করতে নিষেধ করেন। কিন্তু যয়নব (রাঃ)-এর প্রতি কর্ণপাত না করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইশা (রাঃ)-কে তাঁর কটুক্তি জবাব দেয়ার অনুমতি দেন। তখন আইশা (রাঃ) যয়নব (রাঃ)-এর কটুক্তির জবাব দেন এবং তাঁর উপর বিজয়ী হয়। তখন যয়নব (রাঃ) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে অভিযোগ পেশ করেন যে, আইশা (রাঃ) আপনার খান্দান (বনূ-হাশিম) সম্পর্কে এরূপ কটাক্ষ করেছেন। যা শুনে ফাতিমা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হন (অভিযোগ পেশের জন্য।) তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমা (রাঃ)-কে বলেনঃ কা’বাব রবের কসম! সে (আইশা) তো তোমরা পিতার খুবই প্রিয় বিবি। (কাজেই, সে যদি কিছু বলে থাকে তবে তা ভুলে যাও এবং তাকে ক্ষমা কর।) এরপর ফাতিমা (রাঃ) ফিরে গিয়ে বনূ হাশিমকে বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ বলায়, তিনি আমাকে এরূপ বলেছেন। এরপর আলী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সে ব্যাপারে কথাবার্তা বলেন।

ছবি বানান