Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৭৪১

প্রায় ২ মিনিট · ২৩৫ শব্দ

তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) যখন নামাযে দাঁড়াতেন তখন তিনি তাকবীর বলে দুই হাত উপরের দিকে উঠাতেন। অতঃপর তিনি রুকূ হতে মাথা তোলার সময় “সামিআল্লাহু নিমান হামিদাহ্‌” বলতেন। অতঃপর তিনি দুই রাকাত নামায শেষ করার পর যখন দাঁড়াতেন তখন তিনি উভয় হাত উত্তোলন করতেন এবং এই বর্ণনা সূত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌছেছেন (অর্থাৎ হাদীছটি মারফু)। (বুখারী)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সত্য বর্ণনা এই যে, হাদীছটি ইবনু উমার (রাঃ) এর বক্তব্য, মারফু হাদীছ নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, প্রথম হাদীছে দুই রাকাত নামায আদায়ের পর দাঁড়ানোর সময় হাত উঠানো সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে- তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত নয়। ছাকাফী উবায়দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন এবং এই বর্ণনাসূত্র ইবনু উমার (রাঃ) পর্যন্ত পৌছেছে এবং এখানে এরূপ উল্লেখ হয়েছে যে, যখন তিনি দুই রাকাত নামায সমাপ্তির পর দন্ডায়মান হতেন, তখন উভয় হাত বক্ষ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন এবং এই রিওয়ায়াত সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, লাইছ, মালিক, আইউব ও ইবনু জুরায়েজ প্রমুখ রাবীগণ এই হাদীছের বর্ণনা সূত্র সাহাবী পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। হাম্মাদ একাই এই হাদীছকে মারফু হাদীছ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী ইবনু জুরায়েজ বলেন, আমি নাফেকে জিজ্ঞাসা করি যে, ইবনু উমার তাকবীরে তাহ্‌রীমা বলার সময় কি তাঁর হাত অন্য সময়ের চাইতে অধিক উত্তোলন করতেন? তিনি বলেন, না; বরং সব সময়ই তিনি একইরূপে হাত উঠাতেন। আমি বলি আমাকে ইশারাপূর্বক দেখান। তিনি স্বীয় বক্ষদেশ বা তার চাইতে কিছু নীচে পর্যন্ত ইশারা করে দেখান।

ছবি বানান