বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৫২৫
بَابُ إِذَا وَقَفَ فِي الطَّوَافِ وَقَالَ عَطَاءٌ فِيمَنْ يَطُوفُ فَتُقَامُ الصَّلاَةُ، أَوْ يُدْفَعُ عَنْ مَكَانِهِ إِذَا سَلَّمَ يَرْجِعُ إِلَى حَيْثُ قُطِعَ عَلَيْهِ. وَيُذْكَرُ نَحْوُهُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ ১০২৮. পরিচ্ছেদঃ তাওয়াফ শুরু কারার পর থেমে গেলে। ’আতা (রহঃ) বলেন, কেউ তাওয়াফ করার সময় সালাতের ইকামত দেওয়া হলে অথবা কাউকে তাঁর স্থানে থেকে হটিয়ে দেওয়া হলে সালামের পর ঐ স্থান থেকে তাওয়াফ আবার শুরু করবে যেখান থেকে তা বন্ধ হয়েছিল। ইবন ’উমর ও ’আবদুর রাহমান ইবন আবূ বকর (রাঃ) থেকেও অনুরূপ উল্লেখ রয়েছে। ১৫২৫। কূতায়বা (রহঃ) ... ’আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা ইবনু ’উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ’উমরাকারীর জন্য সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ সমাপ্ত করে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন, তারপর সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করেন। এরপর ইবনু ’উমর (রাঃ) তিলাওয়াত করেন, “তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” (রাবী) ’আমর (রহঃ) বলেন, আমি জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ নয়।