বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৫৪৮
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ হাজ্জ (হজ্জ)-এর ইহরাম বাঁধেন, তাঁদের মাঝে কেবল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল না, ’আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে আগমন করেন, তাঁর সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। তিনি [’আলী (রাঃ)] বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ ইহরাম বেধেছেন, আমিও সেরূপ ইহরাম বেঁধেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণের মধ্যে যাদের নিকট কুরবানীর পশু ছিল না, তাঁদের ইহরামকে ’উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন, তাঁরা যেন তাওয়াফ করে, চুল ছেটে অথবা মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল হয়ে যায়। তাঁরা বলাবলি করতে লাগবেন, (যদি হালাল হয়ে যাই তা হলে) স্ত্রীর সাথে মিলনের পরপরই আমাদের পক্ষে মিনায় যাওয়াটা কেমন হবে! তা অবগত হয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি পরে যা জানতে পেরেছি তা যদি আগে জানতে পারতাম, তাহলে কুরবানীর পশু সাথে আনতাম না। আমার সাথে কুরবানীর পশু না থাকলে অবশ্যই ইহরাম ভঙ্গ করতাম। (হাজ্জ (হজ্জ) এর সফরে) ’আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হওয়ার কারনে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত হাজ্জ (হজ্জ) এর অন্য সকল কাজ সম্পন্ন করে নেন। পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ আদায় করেন, (ফিরার পথে) ’আয়িশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকলেই হাজ্জ (হজ্জ) ও ’উমরা উভয়টি আদায় করে ফিরেছে, আর আমি কেবল হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করে ফিরেছি, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) কে নির্দেশ দিলেন, যেন ’আয়িশা (রাঃ) কে নিয়ে তান’ঈমে চলে যান (যেখানে যেয়ে ’উমরার ইহরাম বাঁধবেন) ’আয়িশা (রাঃ) হাজ্জের (হজ্জ) পর ’উমরা আদায় করে নিলেন।