Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৬৪৯

প্রায় ২ মিনিট · ২৭৪ শব্দ

তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বের হলাম। হাজ্জ (হজ্জ)-ই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় পৌছে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা ও মারওয়ার সা’য়ী করলেন। তবে ইহরাম ফেলেননি। তাঁর সঙ্গে কুরবানীর জানোয়ার ছিল। তাঁর সহধর্মিণী ও সাহাবীগণের মধ্যে যারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁরাও তাওয়াফ করলেন। তবে যাদের সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল না, তাঁরা হালাল হয়ে গেলেন। এরপর ’আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হয়ে পড়লেও (বর্ণনাকারী বলেন) আমরা হাজ্জের সমুদয় হুমুম-আহকাম আদায় করলাম। এরপর যখন লায়লাতুল-হাসবা অর্থাৎ রওয়ানা হওয়ার রাত হল, তখন তিনি বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি ব্যতীত আপনার সকল সাহাবী তো হাজ্জ (হজ্জ) ও উমরা করে ফিরছেন। রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা যে রাতে এসেছি সে রাতে তুমি কি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করনি? আমি বললাম, না। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের সঙ্গে তান’ঈম (নামক স্থানে) চলে যাও এবং সেখান থেকে ’উমরার ইহরাম বেঁধে নাও। আর অমুক অমুক স্থানে তোমার সঙ্গে সাক্ষাতের ওয়াদা থাকল। ’আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর আমি ’আবদুর রাহমান (রাঃ) এর সঙ্গে তান’ঈমের দিকে গেলাম এবং ’উমরার ইহরাম বাঁধলাম। আর সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ)-এর ঋতু দেখা দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে বিরক্ত হয়ে বলেনঃ তুমি তো আমাদেরকে আটকিয়ে ফেললে। তুমি কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করছিলে? তিনি বললেন, হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে কোন বাধা নেই, রওয়ানা হও। [’আয়িশা (রাঃ) বলেন] আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মিলিত হলাম। এমতাবস্থায় যে, তিনি মক্কার উপরের দিকে উঠছিলেন, আর আমি নিচের দিকে নামছিলাম। অথবা আমি উঠছিলাম আর তিনি নামছিলেন। মূসা’দ্দাদ (রহঃ) এর বর্ণনায় এ হাদীসে (হাঁ) এর পরিবর্তে ’লা’ (না) রয়েছে। রাবী জারীর (রহঃ) মনসূর (রহঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদ (রহঃ) এর অনুরূপ ’লা’ (না) বর্ণনা করেছেন।

ছবি বানান