বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৬৭১
তিনি বলেন, যখন যিলহাজ্জ মাস আগত প্রায়, তখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওয়ানা দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যাক্তি ’উমরার ইহ্রাম বাঁধতে চায়, সে যেন ’উমরার ইহ্রাম বেঁধে নেয়। আর যে ব্যাক্তি হাজ্জের (হজ্জ) ইহ্রাম বাঁধতে চায় সে যেন হাজ্জের (হজ্জ) ইহ্রাম বেঁধে নেয়। আমি যদি কুরবানীর জানোয়ার সঙ্গে না আনতাম তাহলে অবশ্যই আমি ’উমরার ইহ্রাম বাঁধতাম। তাই তাঁদের কেউ ’উমরার ইহ্রাম বাঁধলেন আর কেউ হাজ্জের ইহ্রাম বাঁধলেন। যারা ’উমরার ইহ্রাম বেঁধেছিলেন, আমি তাদের মধ্যে একজন। এরপর মক্কা পৌঁছার আগেই আমার ঋতু দেখা দিল। ’আরাফার দিবস চলে এল, আর আমি ঋতুবতী অবস্থায় ছিলাম। তারপর আমার এ অসুবিধার কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বললাম। তিনি বললেনঃ ’উমরা ছেড়ে দাও। আর বেনী খুলে মাথা আঁচড়িয়ে নাও। তারপর হাজ্জের (হজ্জ) ইহ্রাম বেঁধে নাও। আমি তাই করলাম। মুহাস্সাবের রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে ’আবদুর রাহমানকে তান’ঈম পাঠালেন। (রাবী বলেন) ’আবদুর রাহমান (রাঃ) তাঁকে সাওয়ারীতে নিজের পেছনে বসিয়ে নিলেন। তারপর ’আয়িশা (রাঃ) আগের ’উমরার স্থলে নতুন ’উমরার ইহ্রাম বাঁধলেন। এমনিভাবেই আল্লাহ তা’আলা তাঁর হাজ্জ (হজ্জ) এবং ’উমরা উভয়টিই পুরা করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এর কোন ক্ষেত্রেই কুরবানী বা সাদাকা দিতে কিংবা সিয়াম পালন করতে হয়নি।