Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৬৭৫

প্রায় ২ মিনিট · ১৯৬ শব্দ

তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ’আয়িশা (রাঃ) কে বললাম, আল্লাহর বাণীঃ সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কা’বাগৃহের হাজ্জ (হজ্জ) কিংবা ’উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা’য়ী করে, তার কোন পাপ নেই। (২ঃ ১৫৮) তাই সাফা-মারওয়ার সা’য়ী না করা আমি কারো পক্ষে অপরাধ মনে করি না। ’আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিষয়টি এমন নয়। কেননা, তুমি যেমন বলছ, ব্যাপারটি তেমন হলে আয়াতটি অবশ্যই এমন হতঃفَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا অর্থাৎ এ দু’টির মাঝে তাওয়াফ না করলে কোন পাপ নেই। এ আয়াত তো আনসারদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কেননা তারা মানাতের জন্য ইহ্‌রাম বাঁধত। আর মানাত কুদায়দের সমানে ছিল। তাই আনসাররা সাফা-মারওয়া তাওয়াফ করতে দ্বিধাবোধ করত। এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ ’সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতারাং যে কা’বাগৃহের হাজ্জ (হজ্জ) কিংবা ’উমরা সম্পন্ন করে এ দু’টির মধ্যে সা’য়ী করে, তার কোন পাপ নেই। সুফিয়ান ও আবূ মু’আবিয়া (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ না করলে আল্লাহ কারো হাজ্জ (হজ্জ) এবং ’উমরাকে পূর্ণাঙ্গ গন্য করেন না।

ছবি বানান