Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ২,৯৭২

প্রায় ৩ মিনিট · ৩২০ শব্দ

بَاب فِي النُّجُومِ وَقَالَ قَتَادَةُ وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ خَلَقَ هَذِهِ النُّجُومَ لِثَلَاثٍ جَعَلَهَا زِينَةً لِلسَّمَاءِ وَرُجُومًا لِلشَّيَاطِينِ وَعَلَامَاتٍ يُهْتَدَى بِهَا فَمَنْ تَأَوَّلَ فِيهَا بِغَيْرِ ذَلِكَ أَخْطَأَ وَأَضَاعَ نَصِيبَهُ وَتَكَلَّفَ مَا لَا عِلْمَ لَهُ بِهِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَشِيمًا مُتَغَيِّرًا وَالْأَبُّ مَا يَأْكُلُ الْأَنْعَامُ وَالْأَنَامُ الْخَلْقُ بَرْزَخٌ حَاجِبٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ أَلْفَافًا مُلْتَفَّةً وَالْغُلْبُ الْمُلْتَفَّةُ فِرَاشًا مِهَادًا كَقَوْلِهِ وَلَكُمْ فِي الْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ نَكِدًا قَلِيلًا ১৯৮৫. পরিচ্ছেদঃ ১৯৮৫. নক্ষত্ররাজি প্রসঙ্গে। কাতাদা (রহঃ) বলেন, (আল্লাহ) তা’আলার বাণীঃ) আর আমি দুনিয়ার নিকটতম আসমানকে উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি দ্বারা সুসজ্জিত করেছি। (৬৭ঃ ৫) (এ সম্পর্কে কাতাদা (রহঃ) বলেন) এ সব নক্ষত্ররাজি তিনটি উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে। (১) বানিয়েছেন এদের আসমানের সৌন্দর্য (২) শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ করার জন্য (৩) এবং পথ ও দিক নির্ণয়ের নিদর্শন হিসেবে। অতএব যে ব্যক্তি এদের সম্পর্কে এছাড়া অন্য কোন ব্যাখ্যা দেয় সে ভুল করে, নিক প্রাপ্য হারায় এবং সে এমন বিষয়ে কষ্ট করে যে বিষয়ে তার জ্ঞান নেই। আর ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, هَشِيمًا অর্থ পরিবর্তন আর الأَبُّ তৃণ যা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষন করে, الأَنَامُ অর্থ মাখলুক بَرْزَخٌ অর্থ প্রতিবন্ধক আর মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, أَلْفَافًا অর্থ জড়ানো আর الْغُلْبُ অর্থ ঘন ও সন্নিবেশিত বাগান। فِرَاشًا অর্থ বিছানা। যেমন আল্লাহর বাণীঃ আর তোমাদের জন্য রয়েছে পৃথিবীতে অবস্থান স্থল। نَكِدًا অর্থ অল্প। ২৯৭২। মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবূ যার (রাঃ) কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনঃ উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যে, সিজদা করবে তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু অনুমতি দেওয়া হবে না। তাকে বলা হবে যে পথে এসেছ, সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হবে--এটাই মর্ম হল আল্লাহ তাআলার বাণীঃ আর সূর্য গমন করে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে, এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। (৩৬ঃ ৩৮)

ছবি বানান