বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৩,৬৮৬
তিনি সূরা নাজ্ম তিলাওয়াত করলেন এবং সাথে সাথে সিজ্দা করলেন। এক বৃদ্ধ ব্যতীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যারা উপস্থিত ছিলেন তারা সকলেই সিজ্দা করলেন। সে বৃদ্ধ এক মুষ্টি মাটি উঠিয়ে কপালে লাগিয়ে বলল, আমার জন্য এতটুকু যথেষ্ট। ’আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, কিছুদিন পর আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি। ইব্রাহীম ইবনু মূসা ... হিশামের পিত (’উরওয়া) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, (তার পিতা) যুবায়রের শরীরে তিনটি মারাত্নক আঘাতের চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। এর একটি ছিল তার কাঁধে। ’উরওয়া বলেন, আমি আমার আঙ্গুলগুলো ঔ ক্ষতস্থানে ঢুকিয়ে দিতাম, বর্ণনাকারী ’উরওয়া বলেন, ঔ আঘাত তিনটির দু’টি ছিল বদর যুদ্ধের এবং একটি ছিল ইয়ারমুক যুদ্ধের। ’উরওয়া বলেন, ’আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র শহীদ হলেন তখন আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান আমাকে বললেন, হে ’উরওয়া, যুবায়রের তরবারিখানা তুমি কি চিন? আমি বললাম হ্যাঁ চিনি। ’আবদুল মালিক বললেন, এর কি কোন চিহ্ন (তোমার জানোা) আছে? আমি বললাম, এর ধার পাশে এক জায়গায় ভাঙ্গা আছে যা বদর যুদ্ধের দিন ভেঙ্গে ছিল তখন তিনি বললেন, হাঁ তুমি সত্যি বলেছ, (তারপর তিনি একটি কবিতাংশ আবৃত্তি করলেন) بِهِنَّ فُلُولٌ مِنْ قِرَاعِ الْكَتَائِبِ সে তরবারীর ভাঙ্গন ছিল শত্রু সেনাদের আঘাত করার কারণে। এরপর আবদুল মালিক তরবারী খানা ’উরওয়ার নিকট ফিরিয়ে দিলেন, হিশাম বলেন, আমরা নিজেরা এর মূল্য নির্ধারণ করেছিলাম তিন হাজার দিরহাম। এরপর আমাদের এক ব্যাক্তি তা (উত্তরাধিকার সূত্রে) নিয়ে নিল। আমার মনে বাসনা জাগল যে যদি আমি তরবারীটি নিয়ে নিতাম।