Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৪,২৯৪

প্রায় ২ মিনিট · ২৫০ শব্দ

এক ব্যাক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! আল্লাহ তাঁর কিতাবে যা উল্লেখ করেছেন আপনি কি তা শোনেন না? وَإِنْ طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اقْتَتَلُوا মু’মিনদের দু’দল দ্বন্ধে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেবে সুতরাং আল্লাহর কিতাবের নির্দেশ অনুযায়ী যুদ্ধ করতে কোন বস্তু আপনাকে নিষেধ করছে? এরপর তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এই আয়াতের তাবিল বা ব্যাখ্যা করে যুদ্ধ না করা আমার কাছে অধিক প্রিয় وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا) إِلَى آخِرِهَا ’’যে স্বেচ্ছায় মু’মিন খুন করে’’ আয়াতে তাবিল করার তুলনায়। সে ব্যাক্তি বলল, আল্লাহ বলেছেন وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لاَ تَكُونَ فِتْنَةٌ ’’তোমরা ফিতনা নির্মূল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ করবে’’ ইবনু উমর (রাঃ) বললেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা তা করেছি যখন ইসলাম দুর্বল ছিল। ফলে লোক তার দ্বীন নিয়ে ফিতনায় পড়ত, হয়ত কাফেররা তাকে হত্যা করত নতুবা বেঁধে রাখত, ক্রমে ক্রমে ইসলামের প্রসার ঘটল এবং ফিতনা থাকল না। সে লোকটি যখন দেখল যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) তার উদ্দেশ্যের অনুকুল হচ্ছেন না তখন সে বলল যে, ’আলী (রাঃ) এবং ’উসমান (রাঃ) সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? ইবনু উমর (রাঃ) বললেন যে, ’আলী (রাঃ) এবং ’উসমান (রাঃ) সম্পর্কে আমার কোন বক্তব্য নেই, তবে ’উসমান (রাঃ) কে আল্লাহ তা’আলা নিজেই ক্ষমা করে দিয়েছেন কিন্তু তোমরা তাঁকে ক্ষমা করতে রাযি নও, আর ’আলী (রাঃ), তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচাতো ভাই এবং জামাতা, তিনি অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন, ঐ উনি হচ্ছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা, যেথায় তোমরা তাঁর ঘর দেখছ,هَذِهِ ابْنَتُهُ বলেছেন কিংবা هَذِهِ بِنْتُهُ বলেছেন।

ছবি বানান