Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৬,৬৩৬

প্রায় ২ মিনিট · ৩০০ শব্দ

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষন দুটি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষন ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাবাদী দাজ্জাল এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষন ইল্‌ম তুলে নেওয়া না হবে। আর ভূমিকম্প অধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যাপকতর হবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষন তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে। তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সাদাকা কে গ্রহণ করবে- এ নিয়ে চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ পেশ করবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষন মানুষ সুউচ্চ প্রাসা’দ নির্মাণের ক্ষেত্রে পরস্পরে প্রতিযোণিতায় অবতীর্ন না হবে। আর যতক্ষন এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হবে এবং সকল লোক তা দেখবে। এবং সেদিন সকলেই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে ব্যাক্তি এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতিপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি (৬ঃ ১৫৮) আর অবশ্যই কিয়ামত এমন অবস্থায় কায়েম হবে যে দু’ব্যাক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশ্যে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই কিয়ামত এমন অবস্থায় কায়েম হবে যে, এক ব্যাক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। কিয়ামত এমন অবস্থায় কায়েম হবে যে, এক ব্যাক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই কিয়ামত এমন (অতর্কিত) অবস্থায় কায়েম হবে যে, এক ব্যাক্তি মুখের কাছে লোকমা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না।

ছবি বানান