বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৬,৯৭০
তিনি এবং ইবনু ইবনু কায়স ইবনু হিসন ফাযারী (রাঃ) মূসা (আলাইহিস সালাম) এর সঙ্গীটি সম্পর্কে এ ব্যাপারে দ্বিমত করছিলেন যে, তিনি কি খাযির ছিলেন? এমন সময় তাদের পাশ দিয়ে উবায় ইবনু কাব আনসারী (রাঃ) যাচ্ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাঁকে ডেকে বললেন, আমি এবং আমার এ বন্ধু মূসা (আলাইহিস সালাম) এর সথী সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছি। মূসা (আলাইহিস সালাম) যার সাথে সাক্ষাতের পথের সন্ধান চেয়েছিলেন। আপনি কি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার সম্বন্ধে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অবশ্যই আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার সম্পর্কে উল্লেখ করে বলতে শুনেছি যে, এক সময় মূসা (আলাইহিস সালাম) বনী ইসরাঈলের একদল লোকের মধ্যে ছিলেন। এমন সময় জনৈক ব্যাক্তি তার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলো, মূসা! আপনি কি জানেন, আপনার চাইতে অধিক জ্ঞানী কেউ আছেন? মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ না। তারপর মূসা (আলাইহিস সালাম) এর কাছে ওহী অবতীর্ণ হল যে, হ্যাঁ। আছেন আমার বান্দা খাযির। তখন মূসা (আলাইহিস সালাম) তার সাথে সাক্ষাতের পথ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা সেজন্য একটি মাছকে নিদর্শন স্বরূপ ঠিক করলেন এবং তাকে বলা হল মাছটিকে যখন হারিয়ে ফেলবে তখন সেদিকে ফিরে যাবে, তবে তুমি তার সাক্ষাৎ পাবে। এরই প্রেক্ষিতে মূসা (আলাইহিস সালাম) সাগরে মাছের চিহ্ন ধরে তালাশ করতে থাকলে মূসার সঙ্গী যুবকটি মূসাকে উদ্দেশ্য করে বলল, আমরা যখন শিলাখণ্ডে বিশ্রাম করলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। শয়তানই ওর কথা বলতে আমাকে ভূলিয়ে দিয়েছিল (১৮ঃ ৬৩)। মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ আমরা তো সেই স্থানটির অনুসন্ধান করছিলাম। তারপর তারা দু’জনেই নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চললো (১৮ঃ ৬৫)। তাদের এই দু’জনের ঘটনা যা ঘটলো, আল্লাহ তারই বর্ণনা দিয়েছেন।