বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৭৪৪
وَقَالَ عَطَاءٌ آمِينَ دُعَاءٌ. أَمَّنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ وَمَنْ وَرَاءَهُ حَتَّى إِنَّ لِلْمَسْجِدِ لَلَجَّةً. وَكَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يُنَادِي الإِمَامَ لاَ تَفُتْنِي بِآمِينَ. وَقَالَ نَافِعٌ كَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ يَدَعُهُ وَيَحُضُّهُمْ، وَسَمِعْتُ مِنْهُ فِي ذَلِكَ خَيْرًا আতা (রহঃ) বলেন, ’আমীন’ হল দু’আ। তিনি আরও বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন যুবাইর (রাঃ) ও তাঁর পিছনের মুসুল্লীগণ এমনভাবে ’আমীন’ বলতেন যে, মসজিদ গুমগুম আওয়ায হতো। আবূ হুরায়রা (রাঃ) ইমামকে ডেকে বলতেন, আমাকে ’আমীন’ বলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবেন না। নাফি’ (রহঃ) বলেন, ইবন উমর (রাঃ) কখনই ’আমীন’ বলা ছাড়তেন না এবং তিনি তাদের (আমীন বলার জন্য) উৎসাহিত করতেন। আমি তাঁর কাছ থেকে এ সম্পর্কে হাদীস শুনেছি। ৭৪৪। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম যখন ’আমীন’ বলেন, তখন তোমারও ’আমীন’ বলো। কেননা, যারা ’আমীন’ (বলা) ও ফিরিশতাদের ’আমীন’ (বলা) এক হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও ’আমীন’ বলতেন।