Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৮৬

প্রায় ২ মিনিট · ২৬৬ শব্দ

তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) এর কাছে এলাম, তিনি তখন সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছিলেন। আমি বললাম, মানুষের কি হয়েছে? তিনি আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন (দেখ, সূর্য গ্রহণ লেগেছে)। তখন সকল লোক (সালাতে কুসূফ আদায়ের জন্য) দাঁড়িয়ে রয়েছে। আয়িশা (রাঃ) বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তিনি মাথা ইশারা করলেন, হ্যাঁ। এরপর আমি (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলাম। এমনকি (সালাত এত দীর্ঘ ছিল যে,) আমার বেহুঁশ হয়ে পড়ার উপক্রম হল। তাই আমি মাথায় পানি ঢালতে লাগলাম। পরে (সালাত শেষে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন। এরপর বললেনঃ যা কিছু আমাকে ইতিপূর্বে দেখানো হয়নি, তা আমি আমার এ স্থানেই দেখতে পেয়েছি। এমনকি জান্নাত এবং জাহান্নামও দেখেছি। এরপর আল্লাহ্ তাআলা আমার কাছে ওহী প্রেরণ করলেন, তোমাদেরকে কবরের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে দাজ্জালের ন্যায় (কঠিন) পরীক্ষা অথবা তার কাছাকাছি। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আসমা (রাঃ)مثل (অনুরূপ) শব্দ বলেছিলেন, না قريب (কাছাকাছি) শব্দ, তা ঠিক আমার মনে নেই। (কবরের মধ্যে) বলা হবে, এ ব্যাক্তি সম্পর্কে তুমি কি জানো? তখন মুমিন ব্যাক্তি বা মুকিন (বিশ্বাসী) ব্যাক্তি [ফাতিমা (রাঃ) বলেন] আসমা (রাঃ) এর কোন্ শব্দটি বলেছিলেন ঠিক আমার মনে নেই, বলবে তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তিনি আল্লাহর রাসূল। আমাদের কাছে মুজিযা ও হিদায়ত নিয়ে এসেছিলেন। আমরা তা গ্রহণ করেছিলাম এবং তাঁর অনুসরণ করেছিলাম। তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনবার এরূপ বলবে। তখন তাকে বলা হবে, আরামে ঘুমাও, আমরা জানতে পারলাম যে, তুমি (দুনিয়ায়) তাঁর ওপর বিশ্বাসী ছিলে। আর মুনাফিক অথবা মুরতাব (সন্দেহ পোষণকারী) ফাতিমা বলেন, আসমা কোনটি বলেছিলেন, আমি ঠিক মনে করতে পারছি না- বলবে, আমি কিছুই জানিনা। মানুষকে (তাঁর সম্পর্কে) কি যেন বলতে শুনেছি, তাই আমিও তাই বলেছি।

ছবি বানান