বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৮৯৯
وَقَالَ الْوَلِيدُ ذَكَرْتُ لِلأَوْزَاعِيِّ صَلاَةَ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ وَأَصْحَابِهِ عَلَى ظَهْرِ الدَّابَّةِ فَقَالَ كَذَلِكَ الأَمْرُ عِنْدَنَا إِذَا تُخُوِّفَ الْفَوْتُ، وَاحْتَجَّ الْوَلِيدُ بِقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ يُصَلِّيَنَّ أَحَدٌ الْعَصْرَ إِلاَّ فِي بَنِي قُرَيْظَةَ ওয়ালীদ (রহঃ) বলেছেন, আমি ইমাম আওযায়ী (রহঃ)-এর কাছে শুরাহবীল ইবন সিমত (রহঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণের সাওয়ার অবস্থায় তাঁদের সালাতের উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সালাত ফাওত হওয়ার আশংকা থাকলে আমাদের কাছে এটাই প্রচলিত নিয়ম। এর দলীল হিসেবে ওয়ালীদ (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ পেশ করেনঃ “তোমাদের কেউ যেন বণী কুরায়যায় (এলাকায়) পৌঁছার আগে আসরের সালাত আদায় না করে”। ৮৯৯। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পথে আমাদেরকে বললেন, বনূ কুরাইযা এলাকায় পৌছার আগে কেউ যেন আসরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় না করে। কিন্তু অনেকের পথিমধ্যেই আসরের সময় হয়ে গেল, তখন তাদের কেউ কেউ বললেন, আমরা সালাত আদায় করে নেব, আমাদের নিষেধ করার এ উদ্দেশ্য ছিল না (বরং উদ্দেশ্য ছিল তাড়াতাড়ি যাওয়া)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ কথা উল্লেখ করা হলে, তিনি তাঁদের কারোর সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেন নি।