ইবনে মাজাহ শরীফ - হাদীস নং ১,৮০০
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) তাকে লিখে পাঠানঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। এটি যাকাতের বিধান, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর নির্দেশে মুসলিমদের জন্য ফরয করেছেন। উটের যত সংখ্যকে (যাকাত বাবদ) বকরি প্রদান করতে হয়, তারপর থেকে তার নিকট একটি জাযাআহ যাকাত বাবদ প্রদানের সম-সংখ্যক উট আছে, কিন্তু জাযাআহ নাই, তবে হিক্কাহ্ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু সহজলভ্য হলে তার থেকে দু’টি বকরি অথবা বিশ দিরহাম নেয়া হবে। যার উটের সংখ্যা একটি হিক্কাহ্ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট হিক্কাহ্ নাই, তবে বিনতে লাবূন আছে, তার নিকট থেকে (যাকাত স্বরূপ) বিনতে লাবূন গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে সহজলভ্য হলে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম আদায় করা হবে। যার উটের সংখ্যা একটি বিনতে লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতে লাবূন নাই, তবে হিক্কাহ্ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্ গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরি অথবা বিশ দিরহাম প্রদান করবে। যার যাকাত বিনতে লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে কিন্তু তার নিকট বিনতে লাবূন নাই, তবে বিনতে মাখাদ আছে, তার থেকে বিনতে মাখাদ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে দু’টি বকরি অথবা বিশ দিরহাম উসূল করা হবে। যার যাকাত বিনতে মাখাদ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতে মাখাদ নাই, তবে বিনতে লাবূন আছে, তার থেকে বিনতে লাবূন গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরি অথবা বিশ দিরহাম ফেরত দিবে। বিনতে মাখাদ ফরয হওয়ার ক্ষেত্রে তা না থাকলে এবং বিনতে লাবূন থাকলে তাই গ্রহণ করা হবে এবং যাকাতদাতাকে অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে না।