মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ১,০৯৯
তিনি বলেন, কতিপয় লোক সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) এর নিকট আগমন করল এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বর কি কাঠের তৈরি ছিল, তা নিয়ে তারা বিতর্ক করতে লাগল। তিনি (সাহল ইবনু সা’দ) বললেন, আল্লাহর কসম! সেটি কি কাঠের তৈরি ছিল, কে তৈরি করেছিল, তা আমি ভাল করে জানি এবং সর্বপ্রথম কোনদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর আরোহণ করেছিলেন, তাও আমি দেখেছি। আবূ হাজিম বলেন, আমি সাহল (রাঃ) কে বললাম, হে আব্বাসের পিতা! আপনি ঐসব ঘটনা পুনরায় আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মহিলাকে বলে পাঠালেন [আবূ হাজিম বলেন, সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) সেইদিন মহিলাটির নামও বলেছিলেন] তুমি তোমার কাঠমিস্ত্রি গোলামটিকে একটু ফুরসত দিও। সে আমার জন্য একটি মিম্বর তৈরি করে দিবে, আমি তার উপর থেকে মানুষকে ওয়াজ নসিহত করব। অতঃপর সেই গোলামটি তিন সিঁড়িবিশিষ্ট এই মিম্বরটি বানায় এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশে সেটি মসজিদের এই স্থানে (বর্তমান স্থানে) রাখা হয়। তার কাঠগুলি গাবা (মদিনার নয় মাইল দূরে অবস্থিত মালভূমির নাম) অঞ্চলের ঝাউগাছের ছিল। আর আমি দেখলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর দাঁড়ালেন এবং (সালাতের) তাকবীর বললেন, লোকেরাও তার পিছনে তাকবীর বলল। তিনি মিম্বরের উপরেই ছিলেন, অতঃপর তিনি রুকু হতে উঠে দু’এক কদম পিছনের দিকে হেঁটে নিচে নেমে গেলেন। আর মিম্বরের গোঁড়ায় সিজদা করলেন। আবার তিনি পূর্বস্থানে চলে গেলেন। এভাবে তিনি তার সালাত (নামায/নামাজ) সমাপ্ত করলেন। তারপর তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেন, হে লোকসকল! আমার এরুপ করার কারন হল, যেন তোমরা আমার অনুকরন করতে পার এবং আমার সালাত (নামায/নামাজ) শিখে নিতে পার।