Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ২৬৫

প্রায় ২ মিনিট · ২৬০ শব্দ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে দুটি কথা বলেছিলেন, সে দুটির একটি তো আমি স্বচোখেই দেখেছি আর অপরটির জন্য অপেক্ষা করছি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানব হৃদয়ের মূলে আমানত নাযিল হয়, তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়। অনন্তর তারা কুরআন শিখেছে এবং সুন্নাহর জ্ঞান লাভ করেছেন তারপর তিনি আমাদেরকে আমানত উঠিয়ে নেওয়ার বর্ণনা দিলেন। বললেনঃ মানুষ ঘুমাবে আর তখন তার অন্তর হতে আমানত ভুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে একটি নুকতার মত। এরপর আবার সে ঘূমায় তখন তার অন্তর থেকে আমানত তুলে নেয়া হবে। ফলে তার চিহ্ন থেকে যাবে ফোস্কার মত যেন একটি অঙ্গার, তা তুমি তোমার পায়ে রগড়ে দিলে। তখন তাতে ফোস্কা পড়ে যায় এবং তুমি তা ফোলা দেখতে পাও অথচ তাতে (পুঁজ-পানি ব্যতীত) কিছু নেই। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি কাকর নিয়ে তার পায়ে ঘষলেন এবং বললেনঃ যখন এমন অবস্থা হয়ে যাবে, তখন মানুষ বেচাকেনা করবে কিন্তু কেউ আমানত শোধ করবে না। (আমানতদার ব্যাক্তি এত কমে যাবে যে) এমনকি বলা হবে যে, অমুক বংশে একজন আমানতদার আছেন। এমন অবস্থা হবে যে, কাউকে বলা হবে সে কতই না বাহাদুর, কতই না হুশিয়ার, বড়ই বুদ্ধিমান অথচ তার অন্তরে দানা পরিমাণ ঈমান নেই। হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, এমন এক যুগও গেছে যখন যে কারো সাথে লেনদেন করতে দ্বিধা করতাম না। কারণ সে যদি মুসলিম হতো তবে তার দ্বীনদারীই তাকে আমার হক পরিশোধ করতে বাধ্য করত। আর যদি সে খৃষ্টান বা ইহুদী হতো তবে তার প্রশাসক তা শোধ করতে তাকে বাধ্য করত্য কিন্তু বর্তমানে আমার অমুক অমুক ব্যতীত কারোর সাথে লেনদেন করার নই।

ছবি বানান