মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ২,৮২৮
মুহাম্মাদ ইবনু মূসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... শু’বা কায়স ইবন মুসলিম থেকে, তিনি তারিক ইবন শিহাব থেকে এবং তিনি আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়ে যাত্রা বিরতি করছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি হাজ্জের (হজ্জ) নিয়্যত করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কি ধরনের ইহরাম বেঁধেছ? তিনি বললেন, আমি বলেছি, লাব্বাইকা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তদ্রুপ ইহরাম বাঁধলাম। তিনি বললেনঃ তুমি ভালই করেছ। এখন বায়তুল্লাহ এর তাওয়াফ কর এবং সাফা-মারওয়ার সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল। তিনি বলেনঃ আমি বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ করলাম, সাফা-মারওয়ার সাঈ করলাম, অতঃপর কায়স গোত্রের এক স্ত্রীলোকের নিকট এলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বাঁধলাম। আমি লোকদের এভাবেই ফতওয়া দিতে থাকলাম উমর (রাঃ) এর খিলাফত পর্যন্ত। এ সময় এক ব্যাক্তি তাকে বলল, হে আবূ মূসা অথবা (বলল) আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আপনার কিছু ফতওয়া আপাতত স্থগিত রাখুন। কারণ আমীরুল মুমিনীন (উমর) আপনার পরে হাজ্জ (হজ্জ) সম্পর্কে যে নতূন বিধান প্রবর্তন করেছেন, তা আপনি জ্ঞাত নন। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, হে লোক সকল! আমি যাদের ফতওয়া দিয়েছি (ইহরাম খোলা সম্পর্কে) তারা যেন অপেক্ষা করে। কারণ আমীরুল মূমিনীন অচিরেই তোমাদের নিকট আসছেন, অতএব তার আনুগত্য করা তোমাদের কর্তব্য। রাবী বলেন, উমর (রাঃ) এলেন এবং আমি তাঁর সামনে বিষয়টি উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, আমরা যদি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী চলি, তবে তা আমাদের নির্দেশ দেয় (হাজ্জ (হজ্জ) ও উমরা) পুর্ণ করার। আমরা যদিঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের উপর আমল করি, তবে কুরবানীর পশু তার (কুরবানীর) স্থানে না পৌছা পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম খুলেননি। وَحَدَّثَنَاهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ . উবায়দুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ... শুবা থেকে এই সুত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।