মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,১৭৬
তিনি বলেনঃ বানু খুযা’আ বানু লাইসের এক ব্যাক্তিকে হত্যা করলে তাদের এক নিহতের প্রতিশোধ স্বরুপ তাকে বানু লায়স হত্যা করেছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ খবর পৌছলে তিনি নিজ সাওয়ারীতে আরোহণ পূর্বক ভাষণ দেন এবং বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা হস্তি বাহিনীর মক্কায় প্রবেশ প্রতিরোধ করেন এবং তাঁর রাসুল ও মুমিনদেরকে এর উপর বিজয়ি করেন। সাবধান! আমার পর কারও জন্য এখানে রক্তপাত হালাল ছিলনা এবং আমার পরেও কখনও কারও জন্য তা হালাল নয়। জেনে রেখ, আমার জন্যও এক দিনের সামান্য সময় এখানে (রক্তপাত) বৈধ করা হয়েছিল। সাবধান! এই মুহূর্তে আবার তা (আমার জন্যও) হারাম হয়ে গেল। অতএব এখানকার কাঁটাযুক্ত বৃক্ষও উপড়ানো যাবে না, গাছপালাও কাটা যাবে না এবং পথে পড়ে থাকা বস্তুও তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি (তা তুলতে পারবে)। যার কোন আত্নীয় নিহত হয়েছে তার দু টি ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। হয় ফিদয়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে, নতুবা কিসাস স্বরুপ হত্যাকারীকে হত্যা করতে হবে। রাবী বলেন, আবূ শাহ (রাঃ) নামক ইয়ামানের এক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে লিখে দিন। তিনি বললেনঃ তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। কুরায়শ বংশের এক ব্যক্তি বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস আমরা তো তা আমাদের ঘর তৈরির কাজে এবং কবরে ব্যবহার করে থাকি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইযখির ঘাস ছাড়া।