মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৫৬৩
তিনি বলেন, আবূ আমর ইবনু হাফস (রাঃ) (তার স্বামী) অনুপস্থিত অবস্থায় তাকে বায়েন তালাক দেন। এরপর সামান্য পরিমাণ যবসহ উকীলকে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে তিনি [ফাতিমা (রাঃ)] তার উপর ভীষণভাবে অন্তুষ্ট হন। সে (উকীল) বলল, আল্লাহর কসম! তোমাকে (খোরপোষরূপে) কোন কিছু দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। তখন তিনি [ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ)] রাসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপিস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সব খুলে বললেন। (তার কথা শুনে) তিনি বললেন, তোমার জন্য তার (তোমার স্বামী আবূ আমর ইবনু হাফস (রাঃ) এর) দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীকের ঘরে গিয়ে ইদ্দত পালনের নির্দেশ দিলেন। তারপর তিনি এও বললেন সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) এর বাড়ীতে গিয়ে ইদ্দত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে তুমি তোমার কাপড় খুলতে পারবে। ইদ্দত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি বলেন, যখন আমার ইদ্দত পূর্ণ হল তখন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানানাম যে, মুআবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) ও আবূ জাহম (রাঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। তখন রাসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আবূ জাহাম এমন লোক যে তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মুআবিয়া তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামা ইবনু যায়িদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। এরপর তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাকে বিয়ে কর। তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম।