Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৫৭০

প্রায় ৩ মিনিট · ৩২২ শব্দ

আবূ আমর ইবনু হাফস ইবনু মুগীরা (রাঃ) আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) এর সঙ্গে ইয়ামানে গমন করেন। এরপর তিনি তার স্ত্রী ফাতিমা বিনত কায়সকে অবশিষ্ট এক তালাকের কথা বলে পাঠালেন (তালাক আগেই দিয়েছিলেন)। তিনি হারিস ইবনু হিশাম ও আবূ রাবীআকে নিজের পক্ষ থেকে তার (স্ত্রীকে) খোরপোষ হিসেবে কিছু দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। তখন তারা দু’জন তাকে (ফাতিমাকে) বললেন,আল্লাহর কসম! তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে তুমি গর্ভবতী হলে ভিন্ন কথা। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এলেন এবং তাদের দু’জনের উক্তি সম্পর্কে তাকে অবহিত করলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে স্বামীর ঘরে ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। তখন তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কোথায় যাব? তিনি বললেন, ইবনু উম্মু মাকতুমের কাছে চলে যাও। সে অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে তার নিকট কাপড় খুলতে পারবে এবং সে তোমাকে দেখতে পাবে না। এরপর যখন তার ইদ্দত পূর্ণ হল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে উসামা ইবনু যায়িদের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন। পরবর্তীকালে (উমায়্যা গভর্নর) মারওয়ান এই হাদীসের সত্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার উদ্দেশ্য কাবীসা ইবনু যুওয়াবকে তার কাছে পাঠান। তখন তিনি তার (কাবীসার) কাছে এই হাদীস বর্ণনা করেন। (এই খবর শুনে) মারওয়ান বললেন, একজন মহিলা ছাড়া অন্য কারো কাছে আমার এই হাদীস শুনিনি। আমরা (এই বিষয়ে) নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ মত গ্রহণ করব যার উপর আমরা মুসলিম জনসাধারণকে পেয়েছি। ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) এর নিকট মারওয়ানের মন্তব্য পোঁছলে তিনি বলেন, আমার ও তোমাদের মধ্য কুরআনই চুড়ান্ত মীমাংসাকারী। আল্লাহ বলেছেনঃ 'তোমরা তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ো না।' তিনি বলেন, এই আয়াত সে সব মহিলাদের জন্য প্রযোজ্য যাদের জন্য রাজ’আতের অধিকার আছে। তাই তিন তালাকের পর নতুন করে আর কি থাকতে পারে? এরপর তোমারা কী করে বলতে পার যে, যে মহিলা গর্ভবতী নয় তার জন্য কোন খোরপোষ নেই? তাহলে তোমরা তাকে কিসের ভিত্তিতে তোমাদের ঘরে আটক করে রাখবে?

ছবি বানান