মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৯৪২
তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট এ ’সারফ’ (মুদ্রা ও স্বর্ণ রৌপ্যের বিনিময়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তারা এতে কোন দোষ মনে করেন নি। পরবর্তীকালে একবার আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। তার নিকট ’সারফ’ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, যা অতিরিক্ত হবে তা সুদ। কিন্তু তাদের দু’জনের মতের কারণে আমি এর প্রতিবাদ করলাম। এরপর তিনি বললেন, আমি রাসুলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছি তাই তোমার কাছে বর্ণনা করছি। একদিন তার নিকট খেজুরের বাগানের এক মালিক এক সা’ উৎকৃষ্ট খেজুর নিয়ে আসে। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেজুরের ও এই শ্রেনীরই ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন এ তুমি কোথায় পেলে? সে বলল, আমি দু’সা নিয়ে (বাজারে) যাই এবং তার বিনিময়ে এই এক সা’ ক্রয় করি। কেননা বাজারে এটার মূল্য এতো এবং ওটার মূল্য এতো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মন্দ তোমার কপাল! তুমি সুদের কারবার করেছ। যখন এরূপ করতে চাও, তখন তোমার খেজুর কোন বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। পরে তোমার বস্তুর বিনিময়ে যে প্রকার খেজুর চাও কিনে নিবে। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, সুতরাং খেজুরের বিনিময়ে খেজুর সুদ হওয়ার বিষয়টি প্রযোজ্য নাকি রৌপ্যের বিনিময়ে অতিরিক্ত রৌপ্য সুদ হওয়ার বিষয়টি। রাবী বলেন, পরবর্তীকালে আমি ইবনু উমর (রাঃ) এর নিকট এসেছি এবং তিনি আমাকে নিষেধ করেছেন। আর আমি ইবনু আব্বাসের কাছে যাই নি। রাবী বলেন, আবূস সাহবা (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, এ ব্যাপারে ইবনু আব্বাসের কাছে মক্কায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন তখন তিনি তা অপছন্দ করেছেন।