Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৪,৭৬৫

প্রায় ২ মিনিট · ২৪৪ শব্দ

তিনি বলেন, আমরে যে চাচার নামানুসারে আমার নামকরণ করা হয়েছে তিনি [আনাস ইবন নাযর (রাঃ)] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে শরীক হতে পারেননি। রাবী বলেন, এটা ছিল তার জন্যে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি (প্রায়ই) বলতেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম যে যুদ্ধটি করেছিলেন, তাতে আমি শরীক হতে পারলাম না। এরপর যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাঁর কোন যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দান করেন তা হলে আমি কি করি তা আল্লাহ দেখবেন। রাবী বলেন, এর বেশী কিছু বলতে তিনি ভয় পেলেন। তারপর উহুদের যুদ্ধের দিন তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ) যখন সামনের দিক থেকে আগমন করলেন তখন আনাস (রাঃ) তাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ, হে আবূ আমর! কোথায় (যাচ্ছ)? আহা, আমি উহুদ প্রান্ত থেকেজান্নাতের ঘ্রাণ পাচ্ছি। রাবী বলেন, তারপর তিনি তাদের (কাফিদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীণ হলেন এমন কি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়ে গেলেন। তার শবদেহে আশিটিরও অধিক তরবারী, বর্শা ও তীরের আঘাত পাওয়া যায়। রাবী আনাস (রাঃ) বলেন, তার বোন এবং আমার ফুফু রাবীআ বিনত নযর (রাঃ) বলেন, (শহীদের ক্ষত-বিক্ষত দেহের) কেবল তার আঙ্গুলের জোড়া দেখেই তাকে আমি সনাক্ত করেছি। (অন্য কোন পরিচয়ই অবশিষ্ট ছিল না।) তখন আয়াত নাযিল হলোঃ এরা হচ্ছে সে সব ব্যক্তি, যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার সত্যায়ন করে দেখিয়েছে। তাদের কেউ তার (অঙ্গীকারকারী) ইতিমধ্যেই পূরণ করে ফেলেছে আর কেউ তার প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা মোটেই পরিবর্তিত হয়নি। রাবী বলেন, সাহাবীগণ মনে করতেন যে এ আয়াতখানা তার এবং তার সঙ্গী-সাথীদের ব্যাপারেই নাযিল হয়েছিল।

ছবি বানান