Alhashorহাদীস সম্ভার
তি

তিরমিযী শরীফ - হাদীস নং ৩,২৯৮

প্রায় ৩ মিনিট · ৩৩৭ শব্দ

তিনি বলেনঃ একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীরা এক স্থানে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি মেঘ উড়ে এল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাকি জান এটি কি? তাঁরা বললেন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এ হল এক খন্ড মেঘ পৃথিবীর জন্য পানিবাহক। আল্লাহ তায়ালা এটি এমন কাওমের দিকেও হাঁকিয়ে নিয়ে যান যারা তার প্রতি কৃতজ্ঞ নয়। যারা তাকে ডাকে না। এরপর বললেনঃ তোমরাকি জান তোমাদের উপর কি আছে? সাহাবীরা বললেনঃ আল্লাহ ও তারা রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এ হল ’রাকী’ পৃথিবীর আকাশ। সুরক্ষিত ছাদ ও রুদ্ধ ঊর্মীমালা। তোমরা কি জানো তোমাদের এবং এর মাঝে দুরত্ব কত? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর মাঝে আর তোমাদের মাঝে দুরত্ব হল পাঁচশ বছরের। এর উপর কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তারপর নবীজী বললেনঃ এর উপর রয়েছে আরো দুই অসমান। এতদুভয়ের মাঝেও রয়েছে পাঁচশ বছর সফরের ব্যবধান। এভাবে সাত আসমানের কথা তিনি উল্লেখ করলেন। প্রতি দুই আসমানের মাঝে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝের মত দুরত্ব। তারপর নবীজী বললেনঃ এরও ঊর্ধ্বে কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর ঊর্ধ্বে হল আরশ। এর এবং আকাশের মাঝে দুরত্ব হল দুই আসমানের দুরত্বের সমান। এরপর তিনি বললেন, তোমাদের নিচে কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাষূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন নিচে হল যমীন। এর পর কি আছে তাকি তোমরা জান। সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর নিছে আরো এশটি পৃথিবী আছে। এতদুভয়ের মাঝে পাঁচশ বছর সফরের দুরত্ব। তার পর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ তোমরা যদি একটি দড়ি সর্বনিম্ন পৃথিবীর দিকে লটকে ধর তবে তা আল্লাহর জ্ঞানানুসারে কোন স্থানে যেয়ে পৌছবে (যা আমাদের জানা নেই)। এর পর তিনি পাঠ করলেনঃ (هو الأَوَّلُ وَالآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ) - তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি ব্যক্তি, তিনি গুপ্ত এবং তিনিই সব বিষয় সম্যক অবহিত। (সূরা হাদীদ ৫৭ঃ ৩)।

ছবি বানান