Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ১,৫৫৬

প্রায় ২ মিনিট · ২৮১ শব্দ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর আবু বাক্‌র (রাঃ)-কে তাঁর স্থলাভিসিক্ত করা হয়। এই সময়ে আরবের কিছু লোক মুরতাদ্‌ (ইস্‌লাম ত্যাগী) হয়ে যায়। এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) আবু বক্‌র (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি (মুরতাদ) লোকদের বিরুদ্ধে কিরূপে যুদ্ধ করবেন? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ আমি নির্দেশ প্রাপ্ত হয়েছি যে, যতক্ষণ না লোকেরা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌” বলবে, ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। অতঃপর যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌” বলবে, তাঁর জন্য জান-মাল আমার নিকট নিরাপদ। অবশ্য শরীআতের দৃষ্টিতে তার উপর দন্ড আসলে তা কার্যকর হবে এবং তাঁর হিসাব-নিকাশ আল্লাহ্‌র নিকটে। আবু বাক্‌র (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব, যার নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে। কেননা যাকাত হল ধন-সম্পদের হক। আল্লাহ্‌র শপথ! তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে যে রশি যাকাত দিত, যদি তাও দিতে তারা অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যুদ্ধ করব। উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! তখম আমি উপলদ্ধি করতে পারলাম যে, আল্লাহ তাআলা আবু বাক্‌র (রাঃ) এর অন্তর যুদ্ধের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছেন। উমর (রাঃ) আরও বলেন, আমি হৃদয়ংগম করলাম যে, তিনিই (আবু বাক্‌র) সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত আছে। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইব্‌ন মাজা)। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, রাবাহ্‌ ইব্‌ন যায়েদ (রহঃ) মুআম্মার হতে, তিনি যুহরী হতে উপরোক্ত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ “ইকালান” শব্দের পরিবর্তে “আনাকান” (উটের রশি) বলেছেন। রাবী ইব্‌ন ওয়াহ্‌ব (রহঃ) ইউনুসের সূত্রে “আনাকান” (বকরীর বাচ্চা) উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) অন্য সূত্রে ইমাম যুহ্‌রী (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের মধ্যে “লাও মানউনী আনাকান” (যদি তারা একটি বকরীর শাবকও যাকাত হিসাবে দিতে অস্বীকার করে) বাক্যাংশের উল্লেখ করেছেন। রাবী আনবাসা ইয়ুনুস হতে, তিনি যুহ্‌রী হতে এই হাদীসের মধ্যে “আনাকান” শব্দের উল্লেখ করেছেন।

ছবি বানান