আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ২,৪৫১
তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে আগমন করে এবং এ সময় আমরাও তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। সে মহিলা বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার স্বামী সাফ্ওয়ান ইবন মু’আত্তাল, যখন আমি নামায পড়ি, তখন আমাকে মারধর করে। আর আমি রোযা রাখলে সে আমাকে রোযা ভাঙ্গতে বলে। অথচ সে সূর্যোদয়ের পূর্বে কখনও ফযরের নামায পড়ে না। রাবী বলেন, সাফওয়ানও তাঁর নিকট উপস্থিত ছিল। রাবী বলেন, তিনি তার নিকট উক্ত মহিলার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তার বক্তব্য, ’’আমাকে মারধর করে, যখন আমি নামায আদায় করি।’’ প্রকৃত ব্যাপার এই যে, সে এমন (দীর্ঘ) দু’টি সূরা (নামাযের মধ্যে) পড়ে, যা পড়তে তাকে আমি নিষেধ করি। রাবী বলেন, তিনি ইরশাদ করেন, যদি কেউ (ছোট) একটি সূরা পড়ে, তবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। আর তার বক্তব্য, ’’আমি রোযা রাখলে সে আমাকে ইফতার করতে বলে।’’ ব্যাপার এই যে, সে সব সময়ই (নফল) রোযা রাখে। আর আমি যুবক হওয়ার কারণে (স্ত্রী সহবাস ব্যতীত) থাকতে পারি না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আজ হতে কোন স্ত্রীলোক স্বামীর অনুমতি ব্যতীত (নফল) রোযা রাখতে পারবে না। আর তার বক্তব্য যে, আমি সূর্যোদয়ের পূর্বে নামায আদায় করি না। এ সম্পর্কে আমার বক্তব্য এই যে, আমরা পানি সরবরাহকারী পরিবারের লোক। রাতের প্রথমভাগে কাজ করি, শেষ রাতে নিদ্রা যাই এবং এটাই আমাদের অভ্যাস। এজন্য আমরা সূর্যোদয় হওয়া ব্যতীত নিদ্রা হতে জাগতে পারি না। তিনি বলেন, তুমি যখনই নিদ্রা হতে জাগ্রত হবে, তখনই নামায পড়ে নিবে।