আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ২,৮৬৯
সুলায়মান ইবন মাহরী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) ’উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এর সাদকা সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমাকে আবদুল হামীদ ইবন ’আবদুল্লাহ্ ইবন ’উমার ইবন খাত্তাব এরূপ লিখে দিয়েছেনঃ বিসমিল্লাহির রাহিমানির রাহীম। এ হলো ঐ বর্ণনা, যা ’আবদুল্লাহ্ ইবন ’উমার ’ছামাগ’ সম্পর্কে লিখেছিলেন। অতঃপর রাবী নাফি’(রহঃ) এর বর্ণিত হাদীছের ন্যায় বর্ণনা করেছেন যে, ধন-সম্পদ জমাকারী হবে না, আর যে ফল তাতে পতিত হবে, তা হবে ভিক্ষুক এবং বঞ্চিতদের অংশ। অতঃপর রাবী এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেনঃ যদি ঐ বাগানের মুতাওয়াল্লী চায়, তবে সে বাগানের ফল বিক্রি করে সে মূল্য দিয়ে বাগানের কাজের জন্য গোলাম খরিদ করতে পারে। আর মু’আয়কীব এ বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন এবং ’আবদুল্লাহ্ ইবন আরকাম এর সাক্ষী হন। ’’বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এটা ঐ ওসীয়তনামা, যার ওসীয়ত আল্লাহর বান্দা আমীরুল মু’মিনীন ’উমার (রাঃ) করেনঃ যদি তাঁর [উমার (রাঃ)] উপর কোন দুর্ঘটনা ঘটে (অর্থাৎ তিনি মারা যান), তাহলে ’ছামাগ’ ইবন আকুয়ের ’সুরমা’ [১] এবং সেখানে যে গোলামেরা আছে, তা; আর খায়বরের একশত হিস্সা এবং সেখানকার গোলামেরা এবং ঐ একশত ভাগ যা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে খায়বরের নিকটবর্তী উপত্যকায় দিয়েছিলেন এ সবের মুতাওয়াল্লী হবে, যতদিন সে জীবিত থাকবে, হাফসা (রাঃ)।[২] তাঁর অবর্তমানে, তাঁর পরিবার পরিজনদের মাঝে যারা জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন হবে তারা এর মুতাওয়াল্লী হবে। এ শর্তে যে, তারা এ বাগান বেচাকেনা করতে পারবে না। কিন্তু যখন কোন ভিক্ষুক, বঞ্চিত, নিকটাত্মীয় বা কোন বন্ধু বান্ধব হবে, তাদের জন্য এ থেকে খরচ করবে। আর এই বাগানরে মুতাওয়াল্লী যদি এ থেকে কিছু ভক্ষণ করে, অভাবগ্রস্থদের খাওয়ায় এর মুনাফা হতে কোন গোলাম খরিদ করে, তবে এত কোন দোষ নেই।