Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ২,৯৬২

প্রায় ২ মিনিট · ২২০ শব্দ

তিনি বলেনঃ উমার ইবন আবদুল আযীয খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর বনূ মারোয়ানকে সমবেত করে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ফিদাকের আয় হতে পরিবার-পরিজন ও ফকীর-মিসকীনদের ব্যয় নির্বাহ করতেন, বনূ হাশিম গোত্রের ছোট বাচ্চাদের প্রতি ইহসান করতেন, বিধবা এবং অবিবাহিত নারীদের জন্য খরচ করতেন। একবার ফাতিমা (রাঃ) তাঁর নিকট ফিদাকের সস্পদপ্রাপ্তির জন্য আবেদন করলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। বস্তুত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ঐ সম্পদ ঐরূপেই অবশিষ্ট ছিল। এমনকি তাঁর ইন্তিকালের সময় পর্যন্ত এ পদ্ধতি চালু ছিল। অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর ফিদাকের ধন-সম্পত্তির ব্যাপারে ঐ নিয়ম চালু রাখেন, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায় চালু ছিল। এরপর উমার (রাঃ) যখন এর মুতাওয়াল্লী নির্বাচিত হন, তখন তিনিও ঐ মালের ব্যাপারে একই নীতি অবলম্বন করেন, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাঃ) গ্রহণ করেছিলেন। এমনকি উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এর মৃত্যু সময়ও ঐ নীতি চালু ছিল। পরে মারোয়ান একে নিজের জায়গীর বানিয়ে নেন। অবশেষে তা উমার ইবন আবদুল আযীয (রহঃ)-এর নিয়ন্ত্রণে আসে। তখন তিনি এ খেয়াল করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এ মাল ফাতিমা (রাঃ) কে প্রদান করেননি, তখন আমার জন্যও তা ভোগ করা উচিত হবে না। সে জন্য আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছিঃ আমি ঐ সম্পদ তার মূল অবস্থায় ফিরিয়ে দিচ্ছি, যেমন তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায় ছিল। ।

ছবি বানান