আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৩,৭১১
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) 'তোমরা একে অন্যের মাল অবৈধভাবে খাবে না, অবশ্য ব্যবসার মধ্যে একে অন্যের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে একজন অপর জনের মাল গ্রহণ করতে পার।' এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর এতে অন্যের বাড়ীতে আহার করাকে গুনাহের কাজ বলে মনে করতে থাকে। পরে এ আয়াতের হুকুম সূরা নূরের এ আয়াত দ্বারা মানুসূখ বা রহিত হয়ে যায়। আয়াতটি হলোঃ (অর্থ) এতে তোমাদের কোন গুনাহ নেই যে, তোমরা খাদ্য খাবে তোমাদের ঘরে, অথবা তোমাদের মাতা-পিতার ঘরে, অথবা নিজের সন্তানের ঘরে, অথবা ভাই ও বোনের ঘরে, অথবা চাচাত ও ফুফীর ঘরে, অথবা মামা ও খালার ঘরে, অথবা ঐ ঘরে যার চাবির মালিক তুমি নিজে, অথবা কোন দোস্ত ও বন্ধুর বাড়ীতে। এ আয়াত নাযিল হওয়ার আগে লোকদের অবস্থা এরূপ ছিল যে, যদি কোন ধনী ব্যক্তি তার কোন বন্ধু-রান্ধবকে দাওয়াত দিত, তখন সে বলতোঃ আমি তো এখাদ্য গ্রহণ করাকে গুনাহ বলে মনে করি। আর সে আরো বলতোঃ মিসকীন ব্যক্তি এখাদ্য গ্রহণে আমার চাইতে অধিক হকদার। বস্তুত এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর এ সমস্যা দূরীভূত হয় যে, তারা একে অন্যের বাড়ীতে খাদ্য গ্রহণ করবে এ শর্তে যে, সে খাদ্যবস্তু (প্রাণী) এমন হবে, যার উপর তা আল্লাহ্র নাম নেওয়া হবে, আর আহলে কিতাব বা কিতাবধারীদের খাদ্য গ্রহণ করাও বৈধ সাব্যস্ত হয়।