Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৩,৮৯০

প্রায় ২ মিনিট · ২৫০ শব্দ

তিনি বলেনঃ জুয়ায়রিয়া বিনত হারিছ ইবন মুসতালিক, ছাবিত ইবন কায়স ইবন শাম্‌মাম (রাঃ), অথবা তাঁর চাচাতো ভাইয়ের অংশে (যুদ্ধ বন্দী হিসাবে) পড়েন। তিনি নিজেকে মুকাতিব দাসী হিসাবে সাব্যস্ত করেন তিনি একজন সুন্দরী, সুশ্রী রমণী ছিলেন, যা প্রত্যেকের জন্য আকর্ষণীয় ছিল। আইশা (রাঃ) বলেনঃ তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার মুক্তিপণের টাকার জন্য আবেদন করার উদ্দেশ্যে আসেন। তিনি যখন দরজার কাছে এসে দাঁড়ান, তখন তাকে দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। কেননা আমার মনে হচ্ছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সে সৌন্দর্য দেখবেন, যা আমি দেখেছি। তখন জুয়ায়রিয়া বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি জুয়ায়রিয়া বিনত হারিছ। আর আমার ব্যাপারটি আপনার কাছে গোপন নয়। আমি (যুদ্ধ বন্দী হিসাবে) ছাবিত ইবন কায়স ইবন শাম্‌মামের ভাগে পড়েছি, আর আমি তাঁকে মুক্তিপণ দিয়ে বন্ধনমুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এজন্য আমি আমার মুক্তিপণের টাকার প্রয়োজনে আপনার কাছে এসেছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি এর চাইতে উত্তম কোন ব্যাপারে সম্মত আছো? সে বলে তা কি ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বলেন, আমি তোমার পক্ষ হতে তোমার যাবতীয় মুক্তিপণ আদায় করে দেব এবং তোমাকে বিয়ে করবো। তখন জুয়ায়রিয়া বলেন, আমি এতে রাযী আছি। আইশা (রাঃ) বলেন, লোকেরা যখন শুনলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুয়ায়রিয়াকে বিয়ে করেছেন, তখন তাদের হাতে বনু মুসতালিকের যত বন্দী ছিল, সকলকে মুক্ত করে দেয় এবং তারা বলেন এরা তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শ্বশুর বংশের লোক। (আইশা আমি তাঁর চাইতে ভাগ্যবতী আর কাউকে দেখিনি, যার কারণে তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা এত উপকৃত হয়েছে! কেননা, তাঁর জন্যই বনূ মুসতালিকের একশত বন্দী মুক্তি পায়।

ছবি বানান