Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৪,৫৮৭

প্রায় ২ মিনিট · ২৮৯ শব্দ

তিনি বলেনঃ হুযায়ফা (রাঃ) মাদায়েনে ছিলেন এবং তিনি লোকদের কাছে ঐ সব হাদীছ বর্ণনা করতেন, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগাম্বিত অবস্থায় লোকদের বলতেন। যারা হুযায়ফা (রাঃ) থেকে এ ধরনের হাদীছ শুনতেন, তারা সালমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তা বর্ণনা করতেন। তখন সালমান (রাঃ) বলতেনঃ হুযায়ফা (রাঃ) যা কিছু বলেনঃ সে ব্যাপারে তিনি অভিজ্ঞ। একথা লোকেরা হুযায়ফা (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে বললো যে, আমরা আপনার বর্ণিত হাদীছ সালমান (রাঃ)-এর কাছে পেশ করলে, তিনি তা সম্পর্কে সত্য বা মিথ্যা কিছুই বলেন না। একথা শুনে হুযায়ফা (রাঃ) সালমান (রাঃ)-এর কাছে যান এবং এ সময় তিনি তরকারীর ক্ষেতে ছিলেন। তিনি তাকে বলেনঃ হে সালমান! আপনি আমার বর্ণিত ঐ সব হাদীছ কেন সত্যায়িত করেননি, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শ্রবণ করেছি? তখন সালমান (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সময় রাগাম্বিত হতেন, তখন তিনি রাগান্বিত অবস্থায় সাহাবীদের সাথে কথা বলতেন। আর কখনো তিনি সন্তুষ্ট থাকতেন, তখন তিনি তাদের সাথে খোশ-মেজাযে কথা বলতেন। এরপর সালমান (রাঃ) বলেনঃ আপনি কি এরূপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন না, যাতে একে অন্যের প্রতি রাগ-বিরাগের সৃষ্টি হয়? আর সম্ভবতঃ এর ফলে লোকদের মাঝে মতানৈক্যের সৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরো বলেনঃ আপনি এ বিষয়ে অবহিত আছেন যে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দেয়ার সময় বলেনঃ আমি রাগান্বিত থাকার কারণে যদি আমার উম্মাতকে কোন খারাপ কথা বলে থাকি বা তার উপর লা’নত করে থাকি, (তবে তা এজন্য যে,) আমিও আদম সন্তান। আমিও সেরূপ রাগান্বিত হই, যেরূপ অন্যরা হয়ে থাকে। অবশ্য মহান আল্লাহ্‌ আমাকে সারা জাহানের আমার খারাপ উক্তি ও লা’নতকে, (যা আমি করেছি,) কিয়ামতের দিন তা ঐ ব্যক্তির জন্য রহমত স্বরূপ করে দেবেন। এরপর সালমান (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! হয় আপনি এরূপ করা থেকে বিরত থাকবেন, নয়তো আমি উমার -কে চিঠি দিয়ে সব জানিয়ে দেব।

ছবি বানান