আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৪,৬৮৯
তিনি বলেনঃ একদা আলী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু মাটি মিশ্রিত সোনা পাঠান, যা তিনি আকরা ইবন হাবিস হানযালী (রাঃ), উয়ায়না ইবন বদর ফাযারী (রাঃ), বনূ নাবহানের এক ব্যক্তি যায়দ খায়ল তায়ী (রাঃ) এবং বনূ কিলাবের এক ব্যক্তি ইবন উলাছা আমিরী (রাঃ) এ চার ব্যক্তির মধ্যে বন্টন করে দেন। রাবী বলেনঃ এতে কুরায়শ ও আনসারগণ রাগান্বিত হন এবং বলেনঃ আপনি নজদের অধিপতিদের দিচ্ছেন, অথচ আমাদের কিছুই দিচ্ছেন না! তিনি বলেনঃ আমি এ দিয়ে তাদের দিলকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করছি। এ সময় সেখানে এমন এক ব্যক্তি আসে- যার চোখ কোঠরাগত, চোয়াল উঁচু, কপাল উন্নত, ঘন দাড়ি-বিশিষ্ট ও মস্তক মুণ্ডিত ছিল। সে বলেঃ হে মুহাম্মদ! তুমি আল্লাহ্কে ভয় কর। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি যদি আল্লাহ্র নাফরমানী করি, তবে আর কে তাঁর ফরমাবরদার হবে? মহান আল্লাহ্ যমীনের উপর আমাকে আমানতদার বানিয়েছেন, অথচ তুমি আমাকে আমানতদার মনে কর না। রাবী বলেনঃ তখন এক ব্যক্তি, আমার ধারণায় তিনি হলেন- খালিদ ইবন ওয়ালীদ (রাঃ) তাকে কতল করার জন্য অনুমতি চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেন। রাবী বলেনঃ সে ব্যক্তি চলে যাওয়ার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এ ব্যক্তির বংশে এমন কিছু লোক জন্ম নেবে, যারা কুরআন পাঠ করবে সত্য, তবে তা তাদের গলার নীচে যাবে না, (অর্থাৎ তা তাদের অন্তরে কোন আছর করবে না।) তারা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে, যেরুপ ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়। তারা মুসলিমদের হত্যা করবে এবং মূর্তি-পূজারীদের ছেড়ে দেবে। যদি আমি তাদের পাই, তবে আমি তাদের ’কাওমে আদের’ মত কতল করবো।