বুখারী শরীফ - হাদীস নং ১,৪৬২
أَهَلَّ تَكَلَّمَ بِهِ، وَاسْتَهْلَلْنَا وَأَهْلَلْنَا الْهِلاَلَ كُلُّهُ مِنَ الظُّهُورِ، وَاسْتَهَلَّ الْمَطَرُ خَرَجَ مِنَ السَّحَابِ. (وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ) وَهْوَ مِنِ اسْتِهْلاَلِ الصَّبِيِّ أَهَل অর্থ কথা বলা اسْتَهْلَلْنَا ও أَهْلَلْنَا الْهِلاَل কথা বলা প্রকাশ পাওয়ার অর্থে ব্যবহৃত এবং اسْتَهَلَّ الْمَطَرُ অর্থ মেঘ থেকে বৃষ্টি হওয়া وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ যে পশু যবেহ করার সময় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নাম উচ্চারন করা হয়। এ অর্থে اسْتِهْلاَلِ الصَّبِيِّ (সদ্যজাত শিশুর আওয়াজ) অর্থ থেকে গৃহীত। ১৪৬২। ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্লামা (রহঃ) ... ’আয়িশা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা বিদায় হাজ্জের (হজ্জ) সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বের হয়ে ’উমরার নিয়্যাতে ইহরাম বাঁধি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার সঙ্গে কুরবানীর পশু আছে সে যেন ’উমরার সাথে হাজ্জের (হজ্জ) ইহ্রাম বেঁধে নেয়। তারপর সে ’উমরা ও হাজ্জ (হজ্জ) উভয়টি সম্পন্ন না করা পর্যন্ত হালাল হতে পারবে না। [’আয়িশা (রাঃ) বলেন] এরপর আমি মক্কায় ঋতুবতী অবস্থায় পৌঁছলাম। কাজেই বায়তুল্লাহ তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ার সা’য়ী কোনটই আদায় করতে সমর্থ হলাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার অসুবিধার কথা জানালে তিনি বললেনঃ মাথার চুল খুলে নাও এবং তা আঁচড়িয়ে নাও এবং হাজ্জের (হজ্জ) ইহ্রাম বহাল রাখ এবং ’উমরা ছেড়ে দাও। আমি তাই করলাম, হাজ্জ (হজ্জ) সম্পন্ন করার পর আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) এর সঙ্গে তান’ঈম-এ প্রেরণ করেন। সেখান থেকে আমি ’উমরার ইহ্রাম বাঁধি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এ তোমরা (ছেড়ে দেওয়া) ’উমরার স্থলবর্তী। ’আয়িশা (রাঃ) বলেন, যারা ’উমরার ইহ্রাম বেঁধেছিলেন, তাঁরা বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী সমাপ্ত করে হালাল হয়ে যান এবং মিনা থেকে ফিরে আসার পর দ্বিতীয়বার তাওয়াফ করেন আর যাঁরা হাজ্জ (হজ্জ) ও ’উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা একবার তাওয়াফ করেন।