Alhashorহাদীস সম্ভার
বু

বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৪,০০৭

প্রায় ২ মিনিট · ২৮৫ শব্দ

মুসলিম (রহঃ) ... আবূ বুরদা (রহঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, তার দাদা আবূ মূসা ও মু’আয (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (গভর্নর হিসেবে) ইয়ামানে পাঠালেন। এ সময় তিনি (উপদেশ স্বরুপ) বলে দিয়েছিলেন, তোমরা লোকজনের সাথে কোমল আচরন করবে। কখনো কঠিন আচরন করবে না। মানুষের মনে সুসংবাদের মাধ্যমে উৎসাহ সৃষ্টি করবে। কখনো তাদের মনে অনীহা আসতে দিবে না এবং একে অপরকে মেনে চলবে। আবূ মূসা বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাদের এলাকায় মিযর নামের এক প্রকার শরাব যব থেকে তৈরী হয় আর বিত্উ নামের এক প্রকার শরাব মধু থেকে তৈরী করা হয় (অতএব এগুলোর হুকুম কি?)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নেশা উৎপাদনকারী সকল বস্তুই হারাম। এরপর দু’জনেই চলে গেলেন। মু’আয আবূ মূসাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কিভাবে কুরআন তিলাওয়াত করেন? তিনি উত্তর দিলেন, দাঁড়িয়ে, বসে, সাওয়ারীর পিঠে সাওয়ার অবস্থায় এবং কিছুক্ষন পরপরই তিলাওয়াত করি। তিনি বললেন, তবে আমি রাতের প্রথমদিকে ঘুমিয়ে পড়ি তারপর (শেষ ভাগে তিলাওয়াতের জন্য সালাতে দাঁড়িয়ে যাই। এ রকমে আমি আমার নিদ্রার সময়কেও সাওয়াবের অন্তর্ভুক্ত মনে করি, যেভাবে আমি আমার সালাতে দাঁড়ানোকে সাওয়াবের বিষয় মনে করে থাকি। এরপর (প্রত্যেকেই নিজ নিজ শাসন এলাকায় কার্য পরিচালনার জন্য) তাঁবু খাটালেন। এবং পরস্পরের সাক্ষাত বজায় রেখে চললেন। (সে মতে এক সময়) মু’আয (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ) এর সাক্ষাতে এসে দেখলেন, সেখানে এক ব্যাক্তি হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এ লোকটি কে? আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, লোকটি ইহুদী ছিলো, ইসলাম গ্রহন করার পর মুরতাদ হয়ে গেছে। মু’আয (রাঃ) বললেন, আমি ওর গর্দান উড়িয়ে দেবো। শু’বা (ইবনুল হাজ্জাজ) থেকে আফাদী এবং ওয়াহাব অনু্রুপ বর্ননা করেছে। আর ওকী (রহঃ) নযর ও আবূ দাউদ (রহঃ) এ হাদীসের সনদে শুবা (রহঃ)-সাঈদ-সাঈদের পিতা- সাঈদের দাদা - রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ননা করেছেন। হাদীসটি জারীর ইবনু আবদুল হামীদ (রহঃ) শায়বানী (রহঃ) এর মাধ্যমে আবূ বুরদার সূত্রে বর্ননা করেছেন।

ছবি বানান