বুখারী শরীফ - হাদীস নং ৪৪
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ তাঁরা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর অনুগত্য বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করতে এবং সালাত কায়েম করতে, যাকাত দিতে। আর এ-ই সঠিক দ্বীন (৯৮ঃ ৫) ৪৪। ইসমা’ঈল (রহঃ) ... তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাজ্দবাসী এক ব্যাক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। আমরা তার কথার মৃদু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম, কিন্তু সে কি বলছিল, আমরা তা বুঝতে পারছিলাম না। এভাবে সে কাছে এসে ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে লাগল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ)। সে বলল, ’আমার উপর এ ছাড়া আরো সালাত (নামায/নামাজ) আছে?’ তিনি বললেনঃ ’না, তবে নফল আদায় করতে পার। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আর রমযানের সিয়াম। সে বলল, ’আমার উপর এ ছাড়া আরো সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) আছে? তিনি বললেনঃ না, তবে নফল আদায় করতে পার। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে যাকাতের কথা বললেন। সে বলল, ’আমার ওপর এ ছাড়া আরো দেয় আছে? তিনি বললেনঃ না, তবে নফল হিসেবে দিতে পার। বর্ণনাকারী বলেন, সে ব্যাক্তি এই বলে চলে গেলেন, ’আল্লাহর কসম! আমি এর চেয়ে বেশিও করব না এবং কমও করব না। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সফলকাম হবে যদি সত্য বলে থাকে।