মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ১,৭৮১
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) একত্রে ... আবূ ওয়াইল (রহঃ) সুত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নাহীক ইবনু সিনান নামের এক ব্যাক্তি আবদুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) (রাঃ) এর কাছে এসে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এ শব্দটি আপনি কি ভাবে পাঠ করে থাকেন 'আলিফ' সহকারে নাকি 'ইয়া' সহকারে অর্থাৎمِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ নাمِنْ مَاءٍ غَيْرِ يَاسِنٍ আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আর এ শব্দটি ছাড়া বাকী কুরআনের সবটাই তুমি আয়ত্ত করে ফেলেছ? সে বলল, আমি তো মুফাসসাল (সূরাসমূহ) এক রাকআতেই পড়ে থাকি। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, কবিতার ফড়ফড়ানির ন্যায় ফড়ফড় করে কী? একদল লোক কুরআন পাঠ করে থাকে যা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করে না। তবে যখন তা কলবে পতিত হয় এবং তা তাতে দৃঢ় অবস্থান নেয় তখনই তা উপকারে আসে। উত্তম সালাত হল রুকু ও সিজদা (-র আধিক্য)। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাকআতে যে সদৃশ্য দু’টি দু’টি সূরা মিলিয়ে পাঠ করতেন আমি সেগুলোর কথা ভালভাবেই জানি। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) উঠে দাঁড়ালে আলকামা (রহঃ) তাঁর পিছনে পিছনে প্রবেশ করলেন। পরে বের হায় এসে বললেন, তিনি আমাকে সেগুলো সম্পর্কে অবগত করেছেন। (এ ছিল আবূ বকর (রহঃ) এর বিবরণ) আর ইবনু নুমায়র (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, বনূ বাজীলার এক ব্যাক্তি আবদুল্লাহ (রাঃ) এর সাথে আসল। তিনি নাহীক ইবনু সিনান (নামটি) বলেন নি।