মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ২,২৯৪
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরের উপর বসলেন। আমরাও তার চতুষ্পার্শ্বে বসলাম। তারপর তিনি বললেন, আমার পর তোমাদের ব্যাপারে আমি যে সব বিষয়ের আশংকা করি এর মধ্যে প্রধানতম বিষয় হচ্ছে পার্থিব জাঁকজমক ও এর চাকচিক্য। তখন এক ব্যাক্তি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! কল্যাণ কি অকল্যাণ আনতে পারে? এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব থাকলেন। তাঁকে বলা হল, তোমার কী ব্যাপার তুমি তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কথা বলছ, আর তিনি তোমার সাথে কথা বলছেন না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমরা লক্ষ্য করলাম যে, তাঁর উপর ওহী নাযিল হচ্ছে। তারপর তিনি স্বাভাবিক হয়ে নিজের ঘাম মুছে ফেলে বললেন, প্রশ্নকারী কোথায়? মনে হল, তিনি তার প্রশ্ন পছন্দ করেছেন। এরপর তিনি বললেন, কল্যাণ কখনো অকল্যাণ আনেনা। অবশ্য বসন্তকাল যা কিছু উদগত করে (ভক্ষণকারী) পশুকে পেট ফুলিয়ে মেরে ফেলে বা মৃত্যুর নিকটবর্তী করে দেয়। কিন্তু যে তৃণভোজী পশু তা খায় এমনকি যখন তার উভয় কোঁক পূর্ণ হয়ে যায় তখন সে উত্তাপ গ্রহণ করে, এরপর সে মল ত্যাগ ও পেশাব করে এবং পূনরায় চরতে যায়। মনে রাখবে, এ ধন সস্পদ সবুজ শ্যামল ও মধূর! এ সম্পদ ঐ মুসলিমের উত্তম সঙ্গী যে এ থেকে মিসকীন, ইয়াতীম ও মুসাফিরদেরকে দান করে। অথবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে শব্দ বলেছেন। আর যে ব্যাক্তি এ সম্পদ অবৈধভাবে উপার্জন করে সে ঐ ব্যাক্তির মত যে ভক্ষণ করে কিন্তু তৃপ্ত হয় না। অধিকন্তু কিয়ামতের দিন এ সম্পদ তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে।