Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ২,৯৫১

প্রায় ২ মিনিট · ২৬৮ শব্দ

তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনা আয়িশা (রাঃ) কে বললাম, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করলে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না এবং আমি নিজেও এতদুভয়ের মাঝে সাঈ বর্জন করায় কিছু মনে করি না। আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে বোনপূত্র! তুমি যা বলেছ তা মন্দ বলেছ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাফা-মারওয়ার মাঝে) তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন এবং মুসলিমরাও তাওয়াফ করেছ। অতএব তা সুন্নাত। যে সব লোক (জাহিলি যুগে) মেশাল্লাল এ অবস্থিত মানাত দেবীর নামে ইহরাম বাঁধত, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করত না। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তখন আল্লাহ তা,আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেনঃ “সাফা-মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন সমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ কাবা ঘরের হাজ্জ (হজ্জ) কিংবা উমরা পালন করে, এ দুটির মধ্যে প্রদক্ষিণ করলে কোন পাপ নেই (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। তুমি যা বলেছ, ব্যাপারটি যদি তদ্রুপ হতো তবে বলা হতো, “এই দুটির মধ্যে প্রদক্ষিণ না করলে তার কোন পাপ নেই।” ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গটি আমি আবূ বকর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশামের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি তাতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন, এর নামই জ্ঞান। তিনি আরও বললেন, জ্ঞানবান সমাজের অনেক লোককে বলতে শুনেছি- সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ বর্জনকারী আরবের অধিবাসীরা বলত এই দুই পাথরের মাঝে তাওয়াফ করা জাহিলী যুগের কাজা আর আনসার সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত, আমাদেরকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন, “সাফা-মারওয়া আল্লাহর নির্দশনসমূহের অন্যতম।” আবূ বকর ইবনু আব্দুর রহমান বলেন, আমিও মনে করি যে, উল্লেখিত সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে।

ছবি বানান