মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৫৮৮
আবূ তাহির ও হারামালা ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবন মাসউদ বর্ণনা করেন যে, তার পিতা উমর ইবন আবদুল্লাহ ইবন আরকাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়’আ বিনত হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। যখন তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফাতওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন। উমর ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ইবনু উতবাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়’আ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বনু আমির ইবনু লুআঈ গোত্রের সা’দ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী এবং বিদায় হজ্জের সময় ওফাত পান। সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তেকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বনূ আবদুদ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা’কাক নামক জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মতলব কি? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবায়’আ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকে একথা বলল, তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে,চলে এলাম। এরপর আমি তাঁকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রমূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আমি দুষনীয় মনে করি না। যদিও সে তখন নিফাসের ইদ্দত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে না।