Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৬১৫

প্রায় ৩ মিনিট · ৩৪৪ শব্দ

তিনি বলেন যে, আমি একবার জুমু’আর রাতে মসজিদে ছিলাম। তখন জনৈক আনসারী সেখানে উপস্থিত হল। সে বলল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায়, সে যদি এ নিয়ে কথা বলে, তাহলে আপনারা তো তাকে কোড়া লাগাবেন? অথবা সে যদি তাকে হত্যা করে ফেলে তাহলে তো আপনারা তাকে কতল করবেন। যদি সে নীরব থাকে তাহলে তো তাকে সংঘাতিক গোস্যাসহ করে নীরব থাকতে হবে। আল্লাহর কসম! আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবই। পরদিন সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সে প্রশ্ন করল। সে বলল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে (সঙ্গম করতে) দেখতে পায় এবং সেই এ নিয়ে কথা বলে তাহলে আপনারা তাকে কোড়া লাগাবেন।যদি তাকে হত্যা করে ফেলে তাহলে তো আপনারা তাকে হত্যা করে ফেলবেন। আর যদি নীরব থাকে তবে তো তাকে ক্রোধ নিয়ে নীরব থাকতে হবে। (সুতরাং তার উপায় কি?) তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করলেনঃ ইয়া আল্লাহ! তুমি এর ফয়সালা দাও এবং তিনি দু’আ করতে লাগলেন। অনন্তর লি’আনের আয়াত অবতীর্ন হলঃ 'আর যারা তাদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ দেয় অথচ তারা নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নেই' ... এই আয়াতগুলো। (সূরা নূরঃ ৬-৯)। এরপর সে ব্যক্তি লোকজনের সামনে লি’আনের পরীক্ষার সম্মুখীন হল। তারপর সে তার স্ত্রীসহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল এবং তারা উভয়ে লি’আন করল। লোকটি আল্লাহর নামে কসম করে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, সে সত্যবাদী। এরপর পঞ্চমবারে বলল, সে যদি মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার উপরে আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক। এরপর মহিলাটি লিআনের জন্য অগ্রসর হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ থাম (যদি তোমার স্বামীর উক্তি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তুমি তা স্বীকার করে নাও)। কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং লি’আন করে ফেলল। যখন তারা দু’জন ফিরে চলল তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সম্ভবত এই মহিলা কৃষ্ণকায় কুঞ্চিত কেশধারী সন্তান প্রসব করবে। অবশেষে তার গর্ভে একটি কৃষ্ণকায় কুঞ্চিত কেশধারী সন্তানই জন্ম দিয়েছিল। ৩৬১৫/১। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আমাশ (রহঃ) থেকে এই একই সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

ছবি বানান