মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৩,৬৪০
তিনি বলেন, বারীরার কল্যাণে তিনটি শরী’আতী বিধান লাভ হয়েছিলঃ ১. তার মুনিবেরা তাকে বিক্রি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল এবং তার ’ওয়ালার’র উপর তাদের অধিকার লাভের শর্তারোপ করেছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করলাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও। কেননা ’ওয়ালা’ তারই প্রাপ্য যে আযাদ করে। ২. যখন তাকে (বারীরাকে) মুক্ত করে দেওয়া হল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (তার দাস স্বামীকে রাখা, না রাখার) ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। এরপর সে নিজকে বেছে নিল। (তার দাস স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করল)। ৩. তিনি [আয়িশা (রাঃ)] বলেন, লোকেরা বারীরাকে সদকা-খয়রাত করত এবং সে তা (সদকাকৃত জিনিস) থেকে আমাদের কাছে হাদিয়া পাঠাত। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, “তা তার জন্য সদকা এবং তোমাদের জন্য হাদিয়া। সুতরাং তোমরা তা খেতে পার।”