Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৫,৫০৪

প্রায় ২ মিনিট · ২৪৩ শব্দ

তিনি বলেন, যুবায়র (রাঃ) আমাকে বিয়ে করলেন, তখন ঘোড়াটি ছাড়া কোন সম্পদ কোন গোলাম এবং অন্য কিছু পৃথিবীতে তার ছিল না। তিনি বলেন, আমি তার ঘোড়াটাকে ঘাস দিতাম তার সাংসারিক কাজকর্মও আঞ্জাম দিতাম। আমি তার পরিচর্যা করতাম, তার পানিবাহী উটের জন্য খেজুর বীচি কুটতাম, তাকে ঘাস দিতাম, পানি নিয়ে আসতাম, তার ডোল ইত্যাদি মেরামত করতাম এবং (রুটির) আটা মাখতাম। কিন্তু আমি ভাল রুটি পাকাতে পারতাম না। তাই আমার কয়েকজন আনসারী পড়শী আমাকে রুটি পাকিয়ে দিত। তারা ছিল নিঃস্বার্থ নারী। আমি যুবায়র এর জমি থেকে, যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জায়গীররূপে দিয়েছেলেন, খেজুর বীচি (কুড়িয়ে) আমার মাথায় করে বয়ে আনতাম। সে (জমি) ছিল এক ক্রোশের দুই-তৃতীয়াংশ (প্রায় পৌনে দু’মাইল) দুরে। তিনি বলেন, আমি একদিন আসছিলাম আর (বিচীর বোঝা) আমার মাথায় ছিল। (পথে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাত পেলাম, তখন তাঁর সঙ্গে তাঁর সাহাবীগণের একটি ছেটি জামাআত ছিল। তিনি আমাকে ডাকলেন এবং (তাঁর বাহন উটটিকে বসাবার জন্য) ইখ ইখ (শব্দ) করলেন যাতে আমাকে তাঁর পেছনে তুলে নিতে পারেন। তিনি [আসমা (রাঃ)] বলেন আমি লজ্জাবোধ করলাম আর আমি ছিলাম তোমার [যুবায়র (রাঃ)] এর আত্নমর্যাদাবোধ সম্পর্কে অবগত। তিনি যুবায়র (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! তোমার মাথায় করে বীটি বয়ে আনাটা (আমার কাছে) তার সঙ্গে তোমার আরোহণের চাইতে অধিক কঠিন (ও কষ্টকর)। তিনি বলেন, এরপরে (পিতা) আবূ বকর (রাঃ) আমার কাছে একটি খাদিম পাঠিয়ে দিলেন। ঘোড়াটি দেখাশুনার কাজে সে আমার পক্ষে যথেষ্ট হয়ে গেল। সে যেন আমাকে এ দায়িত্ব থেকে আযাদ করেছিল।

ছবি বানান