Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৫,৯৩৭

প্রায় ২ মিনিট · ২৭২ শব্দ

তিনি বলেন যে, এক ইয়াহুদী কিছু মাল বিক্রি করছিল, মূল্য বলা হলে সে তা অপছন্দ করল অথবা তাতে সন্তুষ্ট হলো না, অথবা এটাকে খারাপ মনে করল। বলল, না হবে না, তাঁর শপথ যিনি মূসা (আলাইহিস সালাম) কে মানুষদের জন্য মনোনীত করেছেন। এ কথা এক আনসারী শুনতে পেয়ে ইয়াহুদীর মুখে একটি থাপ্পড় মারলেন এবং বললেন, তুই বলিস, মূসা (আলাইহিস সালাম) কে লোকদের ভেতর হতে মনোনীত করেছেন অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদ্যমান রয়েছেন! ঐ ইয়াহুদী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, হে আবূল কাসিম! আমি যিম্মী এবং (মুসলিম রাষ্ট্রের নিরাপত্তাপ্রাপ্ত) চুক্তিবদ্ধ। আমাকে অমুক ব্যক্তি থাপ্পড় মেরেছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, কেন তুমি তার মুখে থাপ্পড় দিলে? আনসারী বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সে বলেছে, যিনি মানুষের মাঝে মূসা (আলাইহিস সালাম) কে মনোনীত করেছেন। অথচ আপনি আমাদের মাঝে রয়েছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব রাগাম্বিত হলেন। রাগের চিহ্ন তাঁর চেহারায় ফুটে উঠলো। বললেনঃ নবীদের মধ্যে একজনকে অপরজনের উপর মর্যাদা দিও না। কেননা কিয়ামতের দিন যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে, তখন আসমান ও যমীনের সবাই বেহুশ হয়ে পড়বে শুধু আল্লাহ যাদের চাইবেন তাঁরা ছাড়া। পরে দ্বিতীয়বার যখন ফুৎকার দেওয়া হবে, তখন আমিই সর্বপ্রথম উপস্থিত হব এবং দেখতে পাব যে, মূসা (আলাইহিস সালাম) আরশ ধরে রয়েছেন। আমার জানা নেই যে, তুর পাহাড়ে তাঁর বেহুশ হওয়াটাই হিসাব করা হয়েছে (যা তার এখনকার বেহুশ না হওয়ার কারণ), না আমার আগেই তাঁকে হুশ দান করা হয়েছে? আর আমি এ কথাও বলি না যে, কোনো পয়গাম্বর ইউনূস ইবনু মাত্তা (আলাইহিস সালাম) এর চেয়ে বেশি মর্যাদাবান। মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ... আবদুল আযীয ইবনু আবূ সালামা (রাঃ) থেকে এই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

ছবি বানান